Workplace Habits | অফিসে এই ৫ কাজ প্রতিদিন করছেন? অজান্তেই কিন্তু দোরগোড়ায় ফ্যাটি লিভারের বিপদ!

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ব্যস্ত জীবনে কাজের ফাঁকে আমাদের অজান্তেই বাসা বাঁধছে মারাত্মক সব রোগ। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দিনদিন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। প্রতিদিনের ভুল জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণেই এই অঙ্গটিতে ক্ষতিকর চর্বি জমতে শুরু করে। বিশেষ করে যাঁরা অফিসে দীর্ঘ সময় কাটান, তাঁদের কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস লিভারের কার্যক্ষমতা নিঃশব্দে নষ্ট করে দিচ্ছে (Workplace Habits)।

ক্ষতিকারক ৫টি অভ্যাস:

চিনিযুক্ত পানীয় সেবন: কাজের ফাঁকে বারবার চিনিযুক্ত চা, কফি, সোডা বা প্যাকেটজাত ফলের রস খেলে শরীরে অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজ ঢোকে। এটি লিভারে ফ্যাট জমার অন্যতম প্রধান কারণ।

ভুল প্রাতরাশ: তাড়াহুড়োর মাথায় অতিরিক্ত পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট যেমন—পাউরুটি, রেডি-টু-ইট সিরিয়াল বা চা-বিস্কুট খেয়ে নেওয়া রক্তে শর্করার মাত্রা একলাফে বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত শর্করাকে লিভার সরাসরি চর্বিতে রূপান্তর করে।

বাইরের খাবারের ওপর নির্ভরতা: খিদে পেলেই অ্যাপের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাক্স, ভাজাভুজি বা অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত খাবার অর্ডার করার প্রবণতা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বহু গুণ বাড়িয়ে দেয়।

অসময়ে নৈশভোজ: রাতে দেরি করে বাড়ি ফিরে ভারী খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস শরীরের বিপাকহার কমিয়ে দেয় এবং ইনসুলিনের কার্যকারিতা নষ্ট করে।

শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: একটানা ৮-১০ ঘণ্টা ডেস্কে বসে কাজ করা এবং সময়ের অভাবে শরীরচর্চা না করায় মেদ জমে, যার সরাসরি কোপ পড়ে লিভারের ওপর।

প্রতিকারের উপায়:

লিভারকে সুস্থ রাখতে রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট ও চিনিযুক্ত পানীয় পরিহার করে ডায়েটে সবুজ শাকসবজি ও পুষ্টিকর খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন। রাতের খাবার দ্রুত খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং কর্মব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট কায়িক শ্রম বা হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সুস্থ জীবনযাত্রাই ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধের প্রধান হাতিয়ার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *