Wildlife Trafficker | সিকিমে পাচারকারীর সঙ্গীদের খোঁজে তল্লাশি! ঘনঘন যাতায়াত উত্তরে, নজর তাই বনাঞ্চলে

Wildlife Trafficker | সিকিমে পাচারকারীর সঙ্গীদের খোঁজে তল্লাশি! ঘনঘন যাতায়াত উত্তরে, নজর তাই বনাঞ্চলে

শিক্ষা
Spread the love


রাহুল মজুমদার, শিলিগুড়ি: সিকিম থেকে আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণ পাচারকারী (Wildlife Trafficker) গ্রেপ্তার হওয়ার পরই উত্তরবঙ্গে বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দিল ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো (ডব্লিউসিসিবি)। ধৃত ইয়াংচেন লাচুংপার গ্রেপ্তারির পর থেকে তাঁর সঙ্গীদের খোঁজে তল্লাশিতে আরও জোর দেওয়া হল। পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম সহ একাধিক রাজ্যের বন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ডব্লিউসিসিবি। ইয়াংচেনের পাশাপাশি বাকি অভিযুক্তদের ছবি প্রতিটি রাজ্যের বন দপ্তরকে পাঠানো হয়েছে।

ইয়াংচেন ছিলেন বাঘ, প্যাঙ্গোলিনের অঙ্গ পাচারে সিদ্ধহস্ত। অভিযুক্ত নেপাল, তিব্বত, ভুটান ছাড়াও ভারতের শিলিগুড়ি, গ্যাংটক, কলকাতা, কানপুর ও হোসাঙ্গাবাদের বিভিন্ন এলাকায় নিজের জাল বিছিয়েছিলেন। সেজন্য উত্তরের বনাঞ্চলে বিশেষ নজর দিতে চাইছেন তদন্তকারীরা। ইয়াংচেন যে মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাতে এখনও পর্যন্ত ২৭ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে মধ্যপ্রদেশের নর্মদাপুরমের আদালত। বাকিরা এখনও পলাতক। তাদের খোঁজেই দেশ-বিদেশে তল্লাশি চালাচ্ছে মধ্যপ্রদেশের টাইগার স্ট্রাইক ফোর্স। এদের মধ্যে কেউ কেউ উত্তরে গা-ঢাকা দিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই বিশেষ করে জয়গাঁ, শিলিগুড়ি ও বক্সার বনকর্তাদের সতর্ক করা হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল (বন্যপ্রাণ) ভাস্কর জেভি বলছেন, ‘নিয়মিত ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরোর তরফে আমাদের কাছে পাচারকারীদের ছবি পাঠানো হয়। অভিযুক্তদের ধরতে বিভিন্ন নির্দেশিকাও আসে। সেই অনুযায়ী আমরা কাজ করছি।’

ভারতে ইন্টারপোলের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে ডব্লিউসিসিবি। তাই এই সংস্থার মাধ্যমে মধ্যপ্রদেশের টাইগার স্ট্রাইক ফোর্স যোগাযোগ করেছিল ইন্টারপোলের সঙ্গে। এর মাধ্যমেই সিবিআইকে দিয়ে ইয়াংচেনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোল রেড নোটিশ জারি করায়। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ইয়াংচেন একাধিকবার সিকিম থেকে শিলিগুড়ি হয়ে কলকাতা সহ অন্য জায়গায় যাতায়াত করেছেন। আলিপুরদুয়ারের জয়গাঁ হয়ে পা রেখেছেন ভুটানে। এই সময়কালে এই অঞ্চলের কার কার সঙ্গে তঁার যোগাযোগ হয়েছিল, সেই খোঁজ শুরু হয়েছে। এখানে কোথায় রাত কাটিয়েছেন, কী ধরনের পরিবহণ ব্যবহার করেছেন- জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, তিব্বতেও আসা-যাওয়া ছিল সিকিমের লাচুংয়ের ওই বাসিন্দার।

ধৃতকে তিনদিনের ট্রানজিট রিমান্ডে মধ্যপ্রদেশ নিয়ে গিয়ে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে এসেছে টাইগার স্ট্রাইক ফোর্সের আধিকারিকদের। বাড়ির কাছ থেকেই পাকড়াও করা হয় অভিযুক্তকে, তাই পড়শি রাজ্য সিকিমের বন দপ্তরের কাছে পৌঁছেছে সতর্কবার্তা। সিকিমে আর কোথায় কোথায় শেলটার নিয়েছেন তিনি, কারা অভিযুক্তকে গা-ঢাকা দিতে সাহায্য করেছেন, পরিবারের আর কেউ জড়িত কি না ইত্যাদি সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। এমনকি ইয়াংচেনের সঙ্গে গত কয়েকবছরে কার কার ফোনে যোগাযোগ হয়েছে, সেই তথ্যেও চোখ বোলাচ্ছেন তদন্তকারীরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *