সমস্ত জল্পনার অবসান। কলকাতার তৃণমূল ভবনে ঘাসফুল শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নিলেন অ্যথলিট স্বপ্না বর্মণ। তৃণমূলের অংশ হয়েই জলপাইগুড়ির রাজবংশী পরিবারের মেয়ে স্বপ্না বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে আমি প্রতি মুহূর্তে অনুপ্রাণিত হই। উনি যেভাবে মানুষের জন্য কাজ করছেন তা অন্য কোথাও সম্ভব না। ওনার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের শরিক হতে চেয়েছি।”
আরও পড়ুন:


২০১৮ সালে এশিয়ান গেমসে সোনা জয় করেছিলেন জলপাইগুড়ির মেয়ে স্বপ্না বর্মণ। তারপরই জানিয়েছিলেন অ্যাথলেটিক্সের ট্র্যাকে আর নামবেন না বলেই ভাবছেন তিনি। কারণ, তাঁর পিঠের চোট। স্বপ্না এখন নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলের কর্মী। দীর্ঘদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল রাজনীতির ময়দানে দেখা যাবে তাঁকে। তবে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল, বিজেপিতে যোগ দেবেন তিনি। এসবের মাঝেই চলতি বছর জানুয়ারিতে শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে অর্জুন পুরষ্কারপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মণকে সংবর্ধনা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতেই নতুন জল্পনা শুরু হয়। তিনি তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল।
স্বপ্না বলেন, “মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় আমি প্রতিদিন অনুপ্রারিত হই। গ্রাসরুট লেভেল থেকে উঠে এসে বাংলাকে উনি যে স্থানে নিয়ে গিয়েছেন, তা অন্য রাজ্যে হয়নি। ভাবাও যায় না। ওনার কাজ দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
শুক্রবার সকালে জল্পনা সত্যি করে তৃণমূলের দপ্তরে পৌঁছন স্বপ্না বর্মণ। সেখানে গৌতম দেব, ব্রাত্য বসু ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাত থেকে দলের পতাকা হাতে নেন তিনি। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বলেন, “মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় আমি প্রতিদিন অনুপ্রারিত হই। গ্রাসরুট লেভেল থেকে উঠে এসে বাংলাকে উনি যে স্থানে নিয়ে গিয়েছেন, তা অন্য রাজ্যে হয়নি। ভাবাও যায় না। ওনার কাজ দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” উল্লেখ্য, কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বিজেপিতে যোগ দেবেন স্বপ্না। প্রার্থীও হবেন সেই গুঞ্জনও ছিল। যে সব কানাঘুষোয় জল ঢেলে তৃণমূল পরিবারের অংশ হলেন স্বপ্না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
