উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ বসন্তের শেষে চৈত্র সেলে নয়, বরং আকাশ ভাঙা বৃষ্টিতে ভিজছে বাংলা। বৃহস্পতিবার বিকেলের সেই বিধ্বংসী ঝড়ের পর শুক্রবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ (West Bengal Climate)। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। বইবে দমকা হাওয়া, সঙ্গে দোসর হবে শিলাবৃষ্টি।
উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি: ভিজবে পাহাড় ও সমতল
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকবে।
- ভারী বৃষ্টির সতর্কতা: দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
- শিলাবৃষ্টি: শনিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের এক-দু’টি স্থানে শিলাবৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও বরফ পড়তে পারে।
- ঝড়ের গতিবেগ: কোচবিহার, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে ৫০-৬০ কিমি/ঘণ্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে হাওয়ার গতিবেগ থাকবে ৪০-৫০ কিমি।
দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতি: পশ্চিমাঞ্চলে শিলাবৃষ্টির ভয়
কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শুক্রবার ও শনিবার বৃষ্টির দাপট বাড়বে।
- শুক্রবার (২৭ মার্চ): বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম ও ঝাড়গ্রামে ৫০-৬০ কিমি বেগে কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে।
- বিশেষ সতর্কতা: বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলায় আজ এক-দু’টি স্থানে শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
- শনিবার (২৮ মার্চ): দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ৪০-৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইবে।
টানা বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাসে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আম ও লিচু চাষিরা। অসময়ে এই বৃষ্টির ফলে মুকুল ঝরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের ভুট্টা ও দক্ষিণবঙ্গের বোরো ধানের ক্ষেত্রেও এই আবহাওয়া ক্ষতির কারণ হতে পারে।
