শুভজিৎ দত্ত, নাগরাকাটা: ভবনহীন বা ভবন থাকলেও পরিস্থিতি ভালো নয়, এমন ৬৬টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের (Well being Centres) নতুন ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিল স্বাস্থ্য দপ্তর। এই তালিকায় উত্তরবঙ্গেরও বেশ কয়েকটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। জলপাইগুড়িতে রয়েছে রাজগঞ্জ (Rajganj) ব্লকের শিকারপুর ও কালীনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। ওই দুটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বর্তমানে অন্তর্বিভাগ নেই। নতুন ভবন তৈরি হলে তা চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জলপাইগুড়ির মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অসীম হালদার বলেন, সরকারি নির্দেশিকা মোতাবেক কাজ হবে।
স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ৬৬টি ভবন তৈরির জন্য সবমিলিয়ে ব্যয়বরাদ্দ ধরা হয়েছে প্রায় ৯৪ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। প্রতিটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পিছু খরচ হবে ১ কোটি ৪২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৬৯৪ টাকা। স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি তৈরি হবে বাঁকুড়া, বীরভূম, কোচবিহার, হুগলি, হাওড়া, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান সহ কয়েক জেলায়। এমন স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি হবে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ এলাকাতেও। উত্তরবঙ্গে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের শিকারপুর ও কালীনগর ছাড়াও কোচবিহারের সিতাই ব্লকের আদাবাড়ি, দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের কিশামত দশগ্রাম, দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের খড়িবাড়ি ব্লকের রাঙ্গালি, মালদার মানিকচক ব্লকের ভূতনি, রতুয়া-১ ব্লকের দেবীপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র সহ আরও বেশ কয়েকটি রয়েছে। জানা গিয়েছে, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মাধ্যমে ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষের পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের মাধ্যমে পাওয়া টাকা এক্ষেত্রে খরচ করা হবে। বর্তমানে বেশ কিছু পুরোনো প্রকল্পের কাজ চলছে। জলপাইগুড়ি জেলাতেও কয়েকটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নয়া ভবন তৈরি হচ্ছে।
সরকারি নির্দেশিকায় টেন্ডার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে ফেলার কথা বলা হয়েছে। এরপর কাজ শুরু হওয়ার পর ৯ মাসের মধ্যে নির্মাণ শেষ করতে হবে। কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হওয়ার পর গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা পেতে সুবিধা হবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা।
