উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যস্ত জীবনযাত্রায় সময়ের অভাবে অনেকেরই রাতের খাবার খেতে দেরি হয়ে যায়। কেউ ফেরেন দেরিতে, কেউ আবার কাজের চাপে খাওয়ার সময় পান না। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, দেরি করে খেলে শরীরের বিপাক হার বা মেটাবলিজম কমে যায়, যা দ্রুত ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তাই রাতের মেনু এমন হওয়া চাই যা সহজে হজম হয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ওজন কমাতে চাইলে (Weight Loss Ideas) রাতে এই খাবারগুলি বেছে নিতে পারেন:
টক দই ও চিঁড়ে
যদি রান্নার সময় না থাকে, তবে সামান্য চিঁড়ে ধুয়ে টক দই ও শসা কুচি দিয়ে খেতে পারেন। দইয়ের প্রোবায়োটিক হজমে সাহায্য করে। তবে এতে চিনি বা গুড় মেশানো একদম চলবে না।
ওটস বা ডালিয়ার খিচুড়ি
রাতের মেনুতে ভাতের বদলে সবজি দিয়ে ডালিয়া বা ওটসের খিচুড়ি রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। এদের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় শরীরে মেদ জমার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
রুটি ও জলযুক্ত সবজি
ভাতের বদলে একটি বা দুটি আটার রুটির সঙ্গে লাউ বা পেঁপের তরকারি খান। লাউ শরীর ঠান্ডা রাখে এবং ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। মনে রাখবেন, রুটির চেয়ে সবজির পরিমাণ যেন বেশি হয়।
মাছ ও সেদ্ধ সবজি
যাঁরা আমিষ পছন্দ করেন, তাঁরা অল্প তেলে ভাজা বা ভাপানো মাছের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে স্যালাড বা সেদ্ধ সবজি খেতে পারেন। মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং এটি ভাতের চেয়ে অনেক হালকা।
সবজি ও ডালের স্টু
অতিরিক্ত তেল-মশলা এড়িয়ে পেঁপে, গাজর, ঝিঙে বা বরবটির সঙ্গে ডাল বা অল্প মুরগির মাংস দিয়ে পাতলা স্টু বানিয়ে নিন। এতে ক্যালরি কম থাকে কিন্তু ফাইবার ও প্রোটিন বেশি থাকায় দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে।
রাতের খাবার ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে খাওয়ার চেষ্টা করুন। তবে নিরুপায় হয়ে দেরি হলেও, হালকা ও পুষ্টিকর খাবারই হতে পারে সুস্থ থাকার চাবিকাঠি।
