Waqf Violence | মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য খারিজ করল পুলিশই, মুর্শিদাবাদে পিতা-পুত্র খুনে বহিরাগত তত্ত্ব নাকচ চার্জশিটে

Waqf Violence | মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য খারিজ করল পুলিশই, মুর্শিদাবাদে পিতা-পুত্র খুনে বহিরাগত তত্ত্ব নাকচ চার্জশিটে

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ হিংসা (Waqf Violence) নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য খারিজ করে দিল পুলিশই। গত এপ্রিলে ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ। ওয়াকফ আইন বাতিল করা দাবিতে লাগামছাড়া হয়ে ওঠে বিক্ষোভ, পুলিশকে যেমন আক্রান্ত হতে হয় তেমনই অনেকের বাড়ি দোকানে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়। ধুলিয়ান সামশেরগঞ্জ এলাকায় ঘরছাড়া হতে হয় বহু পরিবারকে। অসংখ্য বাড়ি হয় ভাঙচুর করা হয়, নয় জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। নৃশংস ভাবে কুপিয়ে খুন করা হয় জাফরাবাদের বাসিন্দা হরগোবিন্দ দাস ও তার ছেলে চন্দন দাসকে। এই ঘটনায় বহিরাগতদের হাত রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বও এমনই বলেছিল। কিন্তু বাবা ছেলে খুনের ঘটনায় পুলিশের চার্জশিটে  যে ১৩ জনের নাম উঠে এসেছে তারা সকলেই সামশেরগঞ্জ থানা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। বহিরাগত কারও নামগন্ধ নেই চার্জশিটে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর অভিযুক্তরা কীভাবে ঘটনা ঘটিয়েছিলেন? তারপর কোথায়, কীভাবে লুকিয়ে ছিলেন, কতদিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন? সব তথ্য চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনায় মুর্শিদাবাদ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওড়িশা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল জাফরাবাদে পিতা-পুত্র খুনে অন্যতম অভিযুক্ত জিয়াউল শেখের দুই ছেলেকে।

মুখ্যমন্ত্রী বহিরাগত তত্ত্ব সামনে আনলেও কলকাতা হাইকোর্ট গঠিত কমিটি তাদের রিপোর্টে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, ঘটনার সময় পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। এমনকি তৃণমূল নেতারা প্রত্যক্ষ প্ররোচনা দিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ধুলিয়ান পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান মেহেবুব আলমকে মূল ‘দোষী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এই রিপোর্টে। এদিন পুলিশের চার্জশিটেও বহিরাগত তত্ত্বকে খারিজ করে দেওয়া হল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *