Wall Writing Controversy | শিলিগুড়িতে বামেদের দেয়াল লিখন উধাও! রাতের অন্ধকারে সাদা রঙের প্রলেপ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ছে উত্তেজনা

Wall Writing Controversy | শিলিগুড়িতে বামেদের দেয়াল লিখন উধাও! রাতের অন্ধকারে সাদা রঙের প্রলেপ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ছে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


শিলিগুড়ি: বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দামামা বাজতেই শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে শুরু হয়ে গেল রাজনৈতিক তরজা। গত ফেব্রুয়ারি মাসে আইস ফ্যাক্টরি রোড এলাকায় বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে যে দেয়াল লিখন করা হয়েছিল, বুধবার ভোরে দেখা যায় তা সাদা রঙের প্রলেপে ঢেকে দেওয়া হয়েছে (Wall Writing Controversy)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলেছে বাম নেতৃত্ব (Left Entrance)। শহরের সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী এই কাজ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

এলাকার বামফ্রন্ট কর্মীদের দাবি, তাঁরা অনেক আগে থেকেই ওই দেয়ালে প্রচারের কাজ শুরু করেছিলেন। প্রার্থীর নাম ঘোষণার অপেক্ষায় শুধুমাত্র নামের জায়গাটি খালি রাখা হয়েছিল। বুধবার সকালে সেখানে প্রার্থীর নাম লেখার পরিকল্পনা থাকলেও, তার আগেই রাতের অন্ধকারে কেউ দেয়ালটি সাদা রঙ দিয়ে মুছে দেয়। এরিয়া কমিটির সদস্য সৌরভ সরকার বলেন, “শিলিগুড়িতে এধরণের নোংরা রাজনীতির সংস্কৃতি ছিল না। তৃণমূল কংগ্রেসই এই অপসংস্কৃতির আমদানি করছে। আমরা বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনব।”

দেয়াল লিখনের ওপর সাদা রঙের প্রলেপ পড়ার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি রাজকুমার রায়। তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। রাজকুমারবাবুর দাবি, “রাতের অন্ধকারে কেউ অপ্রকৃতস্থ অবস্থায় রঙের লোককে ডেকে এই কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছে। আমরা এই ধরণের রাজনীতি পছন্দ করি না। বামেরা চাইলে ওই দেয়ালে ফের লিখতে পারেন, আমাদের কোনো আপত্তি নেই।”

শিলিগুড়ির রাজনৈতিক মানচিত্রে ৫ নম্বর ওয়ার্ড বরাবরই অত্যন্ত স্পর্শকাতর হিসেবে পরিচিত। এবার এই কেন্দ্রে তৃণমূলের গৌতম দেব এবং বিজেপির শংকর ঘোষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ময়দানে নেমেছেন বামফ্রন্টের প্রার্থী শরদিন্দু চক্রবর্তী। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে, ঠিক সেই সময়ে গঙ্গানগর এলাকার এই ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল।

স্থানীয় বাসিন্দারাও এই ঘটনায় অবাক। বাসিন্দা অঙ্কিতা মাহাতোর কথায়, “ওয়ার্ডে আগে কখনও এমন ঘটনা দেখিনি। ভোট যত এগিয়ে আসছে, পরিস্থিতির আরও কী অবনতি হবে কে জানে!”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *