উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ বুধবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার বৃহত্তম দুটি তেল উৎপাদনকারী সংস্থা— রসনেফট (Rosneft) এবং লুকওইল (Lukoil)-কে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছে।আর বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন নিষেধাজ্ঞাকে “গুরুতর” বলে অভিহিত করলেও দাবি করেছেন যে, তা রাশিয়ার অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হল। এই প্রসঙ্গে পুতিন সাংবাদিকদের বলেন, “নিষেধাজ্ঞাগুলি আমাদের জন্য গুরুতর, অবশ্যই, এটা স্পষ্ট। এগুলোর কিছু পরিণতি হবে, তবে তা আমাদের অর্থনৈতিক সুস্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলবে না।”
তিনি এই নিষেধাজ্ঞাকে “অবন্ধুসুলভ কাজ” বলে অভিহিত করে বলেন যে, “এটি রাশিয়া-মার্কিন সম্পর্ককে মোটেও শক্তিশালী করবে না, যা এইমাত্র পুনরুদ্ধার হওয়া শুরু হয়েছিল।” শুরুতে ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা করলেও, যুদ্ধবিরতিতে পুতিনের অনীহায় তিনি ক্রমশ হতাশ হয়েছেন। ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন যে, পুতিনের সঙ্গে তাঁর শান্তি আলোচনা “ফলপ্রসূ হচ্ছে না”। পুতিনের সঙ্গে বুদাপেস্টে একটি নতুন শীর্ষ বৈঠকের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেন।
এদিকে নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি এবং বৈঠক স্থগিত হওয়ার পরেও পুতিন আলোচনার জন্য প্রস্তুত বলে ইঙ্গিত দেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “সংঘাত বা যেকোনও বিবাদ, বিশেষ করে যুদ্ধের চেয়ে সংলাপ সর্বদা ভালো। আমরা সবসময় সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে ছিলাম।” তবে, পুতিন একই সঙ্গে সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ইউক্রেন যদি মার্কিন টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়াকে আক্রমণ করে, তাহলে তার প্রতিক্রিয়া খুব জোরালো হবে।
