Vijay-Rashmika | শেকড়ের টানে গ্রামে বিজয়-রশ্মিকা, পড়ুয়াদের বিরাট উপহার তারকা দম্পতির

Vijay-Rashmika | শেকড়ের টানে গ্রামে বিজয়-রশ্মিকা, পড়ুয়াদের বিরাট উপহার তারকা দম্পতির

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: রিল লাইফ থেকে রিয়েল লাইফ—বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানার (Vijay-Rashmika) রসায়ন সবসময়ই অনুরাগী মহলে চর্চার বিষয়। তবে এবার চর্চার কারণ কোনো সিনেমা নয়, বরং তাঁদের মানবিকতা। বিয়ের পর পৈতৃক ভিটেতে ফিরেই গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ গড়তে বড়সড়ো এক পদক্ষেপ নিলেন এই নবদম্পতি। তাঁদের এই উদ্যোগে খুশির হাওয়া তেলেঙ্গানার থাম্মানপেট গ্রামে।

সোমবার তেলেঙ্গানার নাগরকুর্নুল জেলার থাম্মানপেটে নিজের পৈতৃক ভিটেতে সস্ত্রীক পা রাখেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা (Vijay Deverakonda)। সেখানে প্রথা মেনে সত্যনারায়ণ পুজো ও বিবাহোত্তর নানা আচার-অনুষ্ঠানে মেতে ওঠেন ‘বিরোশ’ (ViRoash)। নবদম্পতিকে বরণ করে নিতে মেহবুবনগরের এই গ্রামে ভিড় জমিয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। দক্ষিণ ভারতীয় নাচে-গানে ও প্রবীণদের আশীর্বাদে এক উৎসবের মেজাজ তৈরি হয় বিজয়ের নবনির্মিত বাসভবনে। কিন্তু এই পারিবারিক উদযাপনের মাঝেই সমাজের প্রতি নিজেদের দায়বদ্ধতার কথা ভোলেননি তাঁরা।

বিজয় ও রশ্মিকা ঘোষণা করেছেন, তাঁদের নিজস্ব সংস্থা ‘দেবরাকোন্ডা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’ (Devarakonda Charitable Belief)-এর মাধ্যমে ওই অঞ্চলের মোট ৪৪টি সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ বৃত্তি (Scholarship) প্রদান করা হবে। মূলত আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মেধাবী পড়ুয়ারা যাতে অর্থাভাবে স্কুলছুট না হয়ে পড়ে এবং পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। গ্রামের মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে তেলুগু ভাষায় আবেগঘন বক্তব্য রাখেন বিজয়। তিনি জানান, নিজের শেকড়ের মানুষের জন্য কিছু করতে পারাটাই তাঁর কাছে সবথেকে বড় তৃপ্তি।

ছেলের এই সিদ্ধান্তে গর্বিত বিজয়ের মা মাধবী দেবীও। তারকা দম্পতির এই মহানুভবতায় মুগ্ধ থাম্মানপেটবাসী। পর্দার নায়ক যে বাস্তবের জীবনেও অনেকের কাছে হিরো হয়ে উঠতে পারেন, তা আরও একবার প্রমাণ করলেন বিজয় ও রশ্মিকা। বিয়ের আনন্দ কেবল নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা দুঃস্থ শিশুদের শিক্ষার আলোয় ছড়িয়ে দেওয়ার এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানাচ্ছে গোটা দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *