Vande Matram Controversy | ‘বন্দে মাতরম’ অবমাননা! সোনিয়াকে চিঠি বঙ্কিমচন্দ্রের বংশধরের, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তুঙ্গে সংঘাত

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের একটি দলীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে নতুন করে তীব্র বিতর্ক (Vande Matram Controversy) শুরু হয়েছে। কংগ্রেস সদর দপ্তরে রাষ্ট্রীয় গান (Nationwide Tune) গাওয়ার সময় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সোনিয়া গান্ধির শরীরী ভাষা এবং আচরণের জেরে প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজেপি। সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেত্রী সনিয়া গান্ধিকে সরাসরি কড়া ভাষায় চিঠি পাঠিয়েছেন বঙ্কিমচন্দ্রের বংশধর তথা নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় (Sumit Chattopadhyay)।

সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কংগ্রেসের দপ্তরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যখন ‘বন্দে মাতরম’ গান পরিবেশিত হচ্ছিল, তখন সোনিয়া গান্ধি ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের (Mallikarjun Kharge) মধ্যে কথোপকথন চলছে এবং সেই সময় সোনিয়ার তরফে গানটি থামানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই দৃশ্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে শুরু হয় রাজনৈতিক শোরগোল। সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর চিঠিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন যে, বঙ্কিমচন্দ্রের অমর সৃষ্টির পূর্ণাঙ্গ রূপ পরিবেশনের সময় কংগ্রেস শীর্ষ নেত্রীর এই অনীহা ও অস্বস্তি প্রকাশ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি দাবি করেছেন, একজন দেশপ্রেমিক এবং ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের উত্তরসূরি হিসেবে এই অপমান মেনে নেওয়া যায় না।

অন্যদিকে, সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুমিত্রবাবু আরও কটাক্ষ করে বলেন যে, সোনিয়া গান্ধি ভারতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন বলেই এ ধরনের আচরণ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি শিবিরও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা (Amit Shah) এক জনসভায় এই ঘটনাকে জাতীয় গানের চরম অবমাননা বলে অভিহিত করে কংগ্রেসকে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তুলেছেন। গুজরাত বিজেপিও এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।

যদিও কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। হাত শিবিরের দাবি, গান থামানোর জন্য কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি, বরং মল্লিকার্জুন খাড়গের বসার জন্য চেয়ারের ব্যবস্থা করতেই ওই আলোচনা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও এই ইস্যুটি বর্তমানে জাতীয় রাজনীতির ময়দানে শাসক ও বিরোধীদের মধ্যে এক নতুন সংঘর্ষের ক্ষেত্র তৈরি করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *