Vaibhav Suryavanshi | ছোটদের বিশ্বকাপে শেষ ম্যাচ খেলল বৈভব? বিধ্বংসী ১৭৫ রানের ইনিংসের পর বিসিসিআই-এর নীতি নিয়ে শুরু চর্চা

Vaibhav Suryavanshi | ছোটদের বিশ্বকাপে শেষ ম্যাচ খেলল বৈভব? বিধ্বংসী ১৭৫ রানের ইনিংসের পর বিসিসিআই-এর নীতি নিয়ে শুরু চর্চা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: গোটা বিশ্বকাপে যে ব্যাটের ধার কিছুটা কম মনে হচ্ছিল, সেই ব্যাটই গর্জে উঠল মোক্ষম সময়ে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে (U19 World Cup Ultimate) ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাত্র ৮০ বলে ১৭৫ রানের দানবীয় ইনিংস খেলে ক্রিকেট দুনিয়াকে স্তম্ভিত করে দিল বিহারের ১৪ বছরের কিশোর বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Suryavanshi)। তবে এই আনন্দ আর রেকর্ডের ভিড়েই মিশে আছে এক বিষণ্ণ তথ্য— সম্ভবত এটিই বৈভবের ক্যারিয়ারের শেষ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ম্যাচ।

ফাইনালে বিধ্বংসী মেজাজঃ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৩৩ বলে ৬৮ রান করে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল বৈভব। আর ফাইনালে তিনি ধরা দিলেন স্বমূর্তিতে। ২১৮.৭৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করে তিনি ওয়ানডে ক্রিকেটকে টি-টোয়েন্টি বানিয়ে ছাড়লেন। ১৫টি চার এবং ১৫টি ছক্কায় সাজানো এই ইনিংসটি ইংল্যান্ডের বোলারদের কার্যত দিশেহারা করে দেয়। ১৪ বছর বয়সেই এমন পরিণত ও আক্রমণাত্মক ক্রিকেট দেখে মুগ্ধ বিশেষজ্ঞরা।

কেন আর সুযোগ নেই? বৈভবের বয়স এখন মাত্র ১৪ বছর। অর্থাৎ, গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী সে আরও দুটি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা রাখে। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (BCCI) একটি বিশেষ নীতি। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির (NCA) ডিরেক্টর থাকাকালীন রাহুল দ্রাবিড় এই নিয়ম চালু করেছিলেন যে, একজন ক্রিকেটার একবারই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন। যাতে দেশের আরও বেশি সংখ্যক প্রতিভাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে আনা যায়।

বিদায়বেলায় রেকর্ডের পাহাড়ঃ যদি বিসিসিআই ভবিষ্যতে এই নীতি পরিবর্তন না করে, তবে হারারের এই ফাইনালই হতে চলেছে বৈভবের শেষ যুব বিশ্বকাপ ম্যাচ। আর বিদায়ী ম্যাচেই সে একগুচ্ছ নজির গড়ল:

  • অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম শতরান।
  • এক ইনিংসে সর্বাধিক (১৫টি) ছক্কার রেকর্ড।
  • অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান (১৭৫)।

বৈভবের এই পারফরম্যান্স বলে দিচ্ছে, ছোটদের ক্রিকেটে তার অধ্যায় শেষ হলেও, মূল স্তরের ক্রিকেটে সূর্যোদয় কেবল সময়ের অপেক্ষা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *