US man struck by lightning however survives

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় চারপাশ ছত্রখান! কে জানত মৃত্যু ওত পেতে আছে বাড়ির সামনেই! ভদ্রলোক হেঁটে যাচ্ছিলেন ডেন্টিস্টের কাছে। হঠাৎই মাথায় পড়ল বাজ! ছিটকে পড়েও গেলেন তিনি। কিন্তু এরপরই উঠে পড়লেন। এমনই এক ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যা দেখে তাজ্জব নেটিজেনরা। যদিও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।

মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে এসে টমাস ফাহমি নামের ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি যেন আরেকটা জীবন পেয়েছেন। এবং সেজন্য তিনি ঈশ্বরের কাছে অপরিসীম কৃতজ্ঞ। তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে রবিবার গির্জায় গিয়েছিলেন তিনি। নিউ ইয়র্কের কাছে শহরতলি স্টেটেন আইল্যান্ডের বাসিন্দা টমাস। ঘটনার দিন বজ্রপাত ও তার পরবর্তী সব ঘটনাই ধরা পড়েছে তাঁর বাড়ির কলিং বেলের সঙ্গে লাগানো ক্যামেরায়।

আরও পড়ুন:

জানা গিয়েছে, টমাসকে হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সারা রাত তাঁকে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন চিকিৎসকরা। নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলছেন, ”বজ্রপাতটি আঘাত হানার পর আমার সারা শরীরে যে প্রাথমিক অনুভূতিগুলো হয়েছিল তা ছিল একেবারেই অভূতপূর্ব! শরীর ঝিনঝিন, অসাড় হয়ে ওঠা, ব্যথা… আমি কেমন এক জ্বলন্ত অনুভূতি অনুভব করেছি। কোনও পোড়া দাগও হয়নি। আমার শরীরের একাধিক পরীক্ষা হয়েছে। কোথাও পোড়ার চিহ্নমাত্র নেই। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাতে আমি রবিবার গির্জায় গিয়েছিলাম।”

কিন্তু কীভাবে বাঁচলেন টমাস? বিশেষজ্ঞদের মতে এর নেপথ্যে রয়েছে ‘সারফেস ফ্ল্যাশওভার’। যদি তীব্র বিদ্যুৎপ্রবাহ কোনও ব্যক্তির শরীরের ভেতর দিয়ে না গিয়ে ত্বকের উপর দিয়ে মাটির দিকে চলে যায়, তখন ভেতরের অঙ্গগুলো বড় ধরনের ক্ষতি থেকে বেঁচে যায়। এছাড়া ভিজে ত্বক, জুতো বা রবারের সোলও প্রাণ বাঁচিয়ে দিতে পারে। কেউ বজ্রাহত হলে দ্রুত সিপিআর চিকিৎসা শুরু করলে বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *