UP Voter Listing 2026 | উত্তরপ্রদেশের ভোটার তালিকায় বড়সড় ছাঁটাই: বাংলার তুলনায় কতবেশী নাম বাদ পড়ল জানুন

UP Voter Listing 2026 | উত্তরপ্রদেশের ভোটার তালিকায় বড়সড় ছাঁটাই: বাংলার তুলনায় কতবেশী নাম বাদ পড়ল জানুন

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের খসড়া ভোটার তালিকা (UP Voter Listing 2026) থেকে প্রায় ২.৮৯ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। র্থাৎ, পশ্চিমবঙ্গের প্রায় পাঁচ গুণ! ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন (Particular Intensive Revision – SIR) প্রক্রিয়ার পর এই তথ্য সামনে এসেছে। মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক (CEO) নবদ্বীপ রিনওয়া এই খসড়া তালিকা প্রকাশ করেন, যা রাজ্যজুড়ে ব্যাপক চর্চার জন্ম দিয়েছে।

বাদ পড়ার কারণ ও পরিসংখ্যান:

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়ার পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে: মৃত্যু, স্থান পরিবর্তন এবং ডুপ্লিকেট বা নকল এন্ট্রি। খসড়া তালিকায় দেখা গেছে যে, প্রায় ৪৬.২৩ লক্ষ ভোটার মারা গেছেন, যাঁদের নাম এতদিন তালিকায় ছিল।  সবচেয়ে বড় অংশটি হল সেই সব ভোটারদের, যারা হয় স্থান পরিবর্তন করেছেন অথবা তাদের বর্তমান ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে না। এই ক্যাটাগরিতে প্রায় ২.১৭ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ২৫.৪৭ লক্ষ নাম পাওয়া গেছে যা একাধিক জায়গায় বা দু’বার করে নথিভুক্ত ছিল।

নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপের ফলে উত্তরপ্রদেশের মোট ভোটারের সংখ্যা ১৫.৪৪ কোটি থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১২.৫৫ কোটিতে। অর্থাৎ, রাজ্যের মোট ভোটারের প্রায় ১৮.৭ শতাংশ নাম তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 ভোটারদের করণীয় ও সুযোগ:

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যাদের নাম ভুলবশত বাদ পড়েছে, তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তারা পুনরায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ পাবেন। ৬ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি জানানোর সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। যাদের নাম বাদ পড়েছে, তারা ‘ফর্ম ৬’ (Type 6) পূরণ করে পুনরায় আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া কারো নাম নিয়ে আপত্তি থাকলে ‘ফর্ম ৭’ (Type 7) ব্যবহার করা যাবে। ভোটাররা নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (voters.eci.gov.in) বা অ্যাপের মাধ্যমে তাদের নাম যাচাই করতে পারবেন।

কমিশন আরও জানিয়েছে যে, প্রায় ১ কোটিরও বেশি ভোটার ‘আনম্যাপড’ (Unmapped) ক্যাটাগরিতে রয়েছেন। তাদের নোটিশ পাঠানো হবে এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়ে তারা নিজেদের নাম নিয়মিত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আগামী ৬ মার্চ, ২০২৬-এ প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলি, বিশেষ করে সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেস, এই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের অভিযোগ, এই বাছাই প্রক্রিয়ায় অনেক বৈধ ভোটারের নামও বাদ পড়তে পারে। তবে নির্বাচন আধিকারিকরা আশ্বস্ত করেছেন যে, এটি একটি রুটিন প্রক্রিয়া এবং স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *