উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: রাজধানী আঙ্কারা এবং ঐতিহাসিক ইজমীর শহরের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত আফিয়নকারাহিসার (Afyonkarahisar) শহরের কাছাকাছি তিনটি ভিন্ন গ্রামে আচমকাই নেমে আসে মৃত্যুর ছায়া। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই বর্বরোচিত বন্দুকবাজের হানায় প্রাণ হারিয়েছেন মোট আটজন মানুষ। পাশাপাশি, গুরুতর জখম অবস্থায় আরও একজন ব্যক্তি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউকারিতান্দির, কিয়ির এবং আয়াজিনি—এই তিন গ্রামেই তাণ্ডব চালিয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় ওই হামলাকারী।
তুর্কি (Turkey) প্রশাসন সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইউকারিতান্দির গ্রামের রাস্তা থেকে দু’জন মহিলার গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হওয়ার পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁদের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া কিয়ির গ্রাম থেকে তিন জন এবং আয়াজিনি গ্রাম থেকেও আরও তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। এদিকে, ঘটনার তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ফুটেজে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে, চোখে চশমা, সাদা প্যান্ট ও কালো জ্যাকেট পরিহিত এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি হাতে রাইফেল নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং তার পাশেই একটি লাল রঙের গাড়ি রয়েছে।
তদন্তে নেমে পুলিশ ওই গাড়িটিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় একশো কিলোমিটার দূরে এস্কেশির শহরের কাছ থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৮ মে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় মেরসিন এলাকায় অনুরূপ এক বন্দুকবাজের হামলায় (Capturing) ছয় জনের মৃত্যু ও আট জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় ৩৭ বছর বয়সী মেটিন এ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এবারের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মেমফিস বা দক্ষিণাঞ্চলের ওই পুরনো ঘটনার কোনও সংযোগ রয়েছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

