Tarakeswar | ঘুমন্ত শিশুকন্যাকে অপহরণ করে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ! শোরগোল তারকেশ্বরে

Tarakeswar | ঘুমন্ত শিশুকন্যাকে অপহরণ করে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ! শোরগোল তারকেশ্বরে

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা এক শিশুকন্যাকে অপহরণ করে যৌন নির্যাতনের (Sexually assaulted) অভিযোগ হুগলির তারকেশ্বরে। নিখোঁজ শিশুটিকে পরবর্তীতে এক ড্রেন থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে এলাকাবাসী। এই ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তারকেশ্বর (Tarakeswar) রেলস্টেশন চত্বরে আশ্রয় নিয়েছিল একটি পরিবার। সেখানে থেকেই ঘুমন্ত অবস্থায় চার বছর বয়সি ওই শিশুকন্যাকে মশারি কেটে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর শনিবার ভোর থেকেই শিশুটির খোঁজ না মেলায় চিন্তায় পড়ে গিয়েছিল তার পরিবার। কয়েক ঘণ্টা ধরে খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে বিকেলের দিকে স্টেশনের পাশে থাকা এক ড্রেনে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় শিশুটিকে। তার শরীরে কামড়ের দাগ ছিল স্পষ্ট। এমনকি ‘নির্যাতিতা’ শিশুটির যৌনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।

এরপরই তাকে প্রথমে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পরই শিশুটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এমনকি গতকাল দুপুরেই শিশুটিকে নিয়ে তার পরিবার থানায় যায়। কিন্তু সেখানে গেলেও তাদের চলে যেতে বলা হয় বলে অভিযোগ। তবে পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।

এদিকে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে তুমুল বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি। প্রথমেই কেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তারকেশ্বর পুলিশ এই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়া চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি রাজ্যের শাসকদলের তীব্র সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘তারকেশ্বরে ৪ বছরের এক শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। পরিবার থানায় ছুটে গেলেও এফআইআর দায়ের করা হয়নি! তারকেশ্বর পুলিশ অপরাধটি ধামাচাপা দিতে ব্যস্ত। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাধীন শাসনের আসল চেহারা। পুলিশ সত্যকে চাপা দিয়ে রাজ্যের ভুয়ো আইনশৃঙ্খলার ভাবমূর্তি রক্ষা করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আপনি একজন ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী।’

অন্যদিকে, তারকেশ্বরের বিধায়ক রামেন্দু সিংহ রায় ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন। সেই সঙ্গে রেল পুলিশের ‘নিরাপত্তার ব্যর্থতার’ দিকে ইঙ্গিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্তির কারণে পরিবারটি আগেই থানা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন পরে প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে।’ ইতিমধ্যেই পকসো আইনের অধীনে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *