উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: সিডনির বন্ডি সমুদ্রসৈকতে বন্দুকধারীদের হামলার ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বে (Sydney Taking pictures)। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৫ জনের। তবে এই হামলা চলাকালীন সমুদ্রসৈকতে উপস্থিত বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়ে সকলের চোখে ‘হিরো’ হয়ে উঠেছেন ফলবিক্রেতা (Fruit vendor)আহমেদ আল আহমেদ।
জানা গিয়েছে, খালি হাতেই বন্দুকধারীকে (Gunmen) নিরস্ত্র করেছিলেন আহমেদ। এমনকি হামলাকারীর হাত থেকে বন্দুক কেড়ে নিয়ে পালটা তার দিকেই তাক করেছিলেন তিনি। ফলবিক্রেতার এই সাহসী পদক্ষেপের জেরে প্রাণে বেঁচেছেন অনেকে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ৫৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি গাছের আড়ালে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছে এক হামলাকারী। এরই মধ্যে গাড়ির পাশ দিয়ে ধীরে ধীরে হেঁটে ওই হামলাকারীকে পেছনে থেকে জাপটে ধরেন আহমেদ। মুহূর্তের মধ্যেই হামলাকারীর হাত থেকে বন্দুক কেড়ে নেন তিনি। ধস্তাধস্তিতে মাটিতে পড়ে যায় ওই হামলাকারী। এরপর বন্দুকটি হামলাকারীর দিকেই তাক করেন ওই ফলবিক্রেতা। যদিও কিছুক্ষণ পরে হামলাকারীটি সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
After Brown College, huge taking pictures was seen through the pageant of Hanukkah on the Jewish individuals at Bondi Seaside in Sydney Australia
Seen here’s a courageous man single handedly taking down on the shooter
Unimaginable pic.twitter.com/DfoFzVKYjv
— Dennis jacob (@12431djm) December 14, 2025
এক বন্দুকধারীকে নিরস্ত্র করলেও হামলার সময় দ্বিতীয় বন্দুকধারীর গুলিতে আহত হন আহমেদ নিজেও। জানা গিয়েছে, দু’টি গুলি লেগেছে তাঁর। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। আহমেদকে এই সাহসিকতার জন্য কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটিজেনরা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজও তাঁকে ‘হিরো’ বলেছেন।
প্রসঙ্গত, রবিবার সিডনির বিখ্যাত বন্ডি সমুদ্রসৈকতে ইহুদিদের হানুকা উৎসব চলছিল। সেই সময় ঘটনাস্থলে অন্তত হাজার জন শামিল হয়েছিলেন। কিন্তু এরই মাঝে সমুদ্রসৈকতে ইহুদিদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে দুই বন্দুকধারী। ১০ মিনিটের সেই হামলায় সিডনির সমুদ্রের ধারে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। এই ঘটনাকে সন্ত্রাসবাদী হামলার তকমা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। পুলিশ জানিয়েছে, বন্দুকবাজ দু’জন সম্পর্কে বাবা ও ছেলে। বন্দুকবাজ পিতা সাজিদ আক্রম ও তাকে সঙ্গ দেয় ২৪ বছরের ছেলে নবিদ। যদিও সমুদ্রসৈকতেই পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে হামলাকারী পিতার। অভিযুক্ত ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দুই হামলাকারীই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত বলে খবর।
