Suvendu Adhikari | দীপু দাসের শোকাতুর পরিবারের পাশে শুভেন্দু

Suvendu Adhikari | দীপু দাসের শোকাতুর পরিবারের পাশে শুভেন্দু

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ওপার বাংলায় পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের শিকার ময়মনসিংহের যুবক দীপু দাসের (Dipu Das Homicide Case) শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার গঙ্গাসাগরের এক জনসভা থেকে তিনি ঘোষণা করেন, ‘বাংলাদেশ থেকে বাবরি মসজিদ তৈরির টাকা আসতে পারলে, বাংলার হিন্দুরাও বাংলাদেশে নিহত দীপু দাসের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারবেন (Monetary Assist)।’

গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বাংলাদেশের ময়মনসিংহে (Mymensingh) ঘটে যায় এক শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। স্থানীয় একটি কারখানায় কর্মরত যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে একদল দুষ্কৃতী তুলে নিয়ে যায়। এরপর শুরু হয় বর্বরোচিত গণপিটুনি। মারের চোটে দীপুর মৃত্যু হলে সেখানেই থেমে থাকেনি দুষ্কৃতীরা। তারা দীপুর নিথর দেহটি একটি গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। বীভৎস উল্লাসের সঙ্গে সেই আগুনের লেলিহান শিখার ভিডিও করেন অগণিত মানুষ। দুর্ভাগ্যবশত, ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখেই নিজের সন্তানের মৃত্যুসংবাদ পান দীপুর হতভাগ্য বাবা।

এই মর্মান্তিক ঘটনার কথা জানতে পেরে বুধবারই দীপু দাসের বাবার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরবর্তীতে এক জনসভা থেকে তিনি বলেন, ‘আমি ওনার সঙ্গে কথা বলেছি এবং একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর চেয়েছি। আমি নিজেই প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ওই অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাব।’ এরই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী আরও যোগ করেন যে, ‘বাংলাদেশ থেকে যদি ধর্মীয় কারণে অর্থ এপারে আসতে পারে, তবে বাংলার হিন্দুরাও ওপার বাংলার নির্যাতিত ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর সামর্থ্য রাখেন।’

এখানেই না থেমে বিরোধী দলনেতা সভায় উপস্থিত আপামর জনতার কাছে আর্জি জানান, ‘তারা যেন নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী ওই অসহায় পরিবারটিকে অর্থ সাহায্য করেন। এই চরম বিপদের দিনে কেবল সহমর্মিতা নয়, বরং বাস্তবসম্মত আর্থিক সহায়তাই ওই পরিবারের বেঁচে থাকার অবলম্বন হতে পারে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে চলমান অস্থিরতার মধ্যে দীপু দাসের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তী উল্লাসের ঘটনাটি দুই বাংলার মানুষের মনেই গভীর ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। শুভেন্দু অধিকারীর এই সময়োচিত উদ্যোগটি মূলত ওই শোকাতুর পরিবারের প্রতি একাত্মতা প্রকাশের একটি জোরালো বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *