Supreme Court docket | বিচারকদের কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুললে বরদাস্ত করা হবে না! রাজ্যকে বার্তা শীর্ষ আদালতের

Supreme Court docket | বিচারকদের কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুললে বরদাস্ত করা হবে না! রাজ্যকে বার্তা শীর্ষ আদালতের

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার বিতর্কিত মামলায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কড়া বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court docket listening to)।  সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিল, স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সততা বা কাজ নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলা চলবে না। রাজ্য সরকারের আইনজীবীর সওয়ালের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্য বিচারবিভাগের স্বাধীনতার সুরক্ষায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মামলাটির শুনানিতে রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী দাবি করেন, এখনও প্রায় ৫৭ লক্ষ ভোটারের তথ্য যাচাই বাকি রয়েছে। এই বিপুল সংখ্যার প্রেক্ষিতে বিচারবিভাগীয় যাচাই প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা নিয়ে পরোক্ষ প্রশ্ন ওঠে। এতে তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁদের নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না!” আদালত সূত্রে খবর, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল শীর্ষ আদালতকে জানিয়েছেন যে, ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ ১৬ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। যেখানে বিচারবিভাগীয় প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে রাজ্য সরকার কেন সমান্তরাল আবেদন জানাল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি।

এদিনের শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির একটি বড় দিকও সামনে আসে। জানা যায়, এসআইআর তদারকির জন্য ৫০০-র বেশি বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে লগিন আইডি দেওয়া হয়েছিল, যা একটি প্রশাসনিক ‘ভুল’। এই ভুলের কারণে বিচারকদের কাজে সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে আদালত মনে করে। কমিশনের আইনজীবী শেষাদ্রি নায়ডু অবশ্য আশ্বাস দিয়েছেন যে, এই ত্রুটি অবিলম্বে সংশোধন করা হবে। এরপরই সুপ্রিম কোর্ট কড়া নির্দেশ দেয় যে, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা যাতে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, তার জন্য কমিশন এবং রাজ্য সরকারকে সবরকম ব্যবস্থা করতে হবে।

অন্যদিকে, রাজ্যের আরেক আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশের দাবি জানালে আদালত তাতে নীতিগত সহমত পোষণ করে। তবে বেঞ্চ মনে করিয়ে দেয় যে, নির্বাচনের কোনও বিজ্ঞপ্তি এখনও জারি হয়নি। সবশেষে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির অনুমোদন ছাড়া বিচারবিভাগীয় কাজে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনও পদক্ষেপ রাজ্য সরকার নিতে পারবে না। আদালত স্পষ্ট করে দেয় যে, প্রকৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে না, এবং বিচারবিভাগ বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *