Suicide Blast | উৎসবের আঙিনা নিমেষে হল মৃত্যুপুরী! পাকিস্তানে বিয়েবাড়িতে ভয়াবহ আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, নিহত ৫, আহত ২৫

Suicide Blast | উৎসবের আঙিনা নিমেষে হল মৃত্যুপুরী! পাকিস্তানে বিয়েবাড়িতে ভয়াবহ আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, নিহত ৫, আহত ২৫

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ বিয়ের সানাই আর অতিথিদের কলকাকলিতে মুখরিত ছিল চারদিক। চলছিল গানবাজনা আর খাওয়া-দাওয়া। কিন্তু সেই আনন্দঘন মুহূর্ত নিমেষের মধ্যে শ্মশানের নিস্তব্ধতায় পরিণত হল এক আত্মঘাতী জঙ্গির প্রবেশে। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের (Khyber Pakhtunkhwa) ডেরা ইসমাইল খান জেলায় একটি বিয়েবাড়িতে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে (Suicide Blast) প্রাণ হারালেন অন্তত পাঁচ জন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৫ জন। মৃতদের মধ্যে শান্তি কমিটির এক নেতা ও পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করা এক প্রাক্তন তালিবান সদস্য রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের ডেরা ইসমাইল খান জেলার সরকার সমর্থিত শান্তি সংগঠনের প্রধান নুর আলম মেহসুদের বাড়িতে শুক্রবার সন্ধ্যায় এই আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালীন আচমকা এই বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় বাড়ির ছাদ ভেঙে পড়ে এবং বহু অতিথি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েন। উদ্ধারকাজে পুলিশ ও দমকল কর্মীদের ব্যাপক বেগ পেতে হয়। বিয়েবাড়ির মেঝেতে তখন চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল চাপ চাপ রক্ত।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতদের মধ্যে শান্তি কমিটির গুরুত্বপূর্ণ নেতা ওয়াহিদুল্লা মেহসুদ ওরফে জিগরি মেহসুদ রয়েছেন। পাশাপাশি একজন ‘ভালো তালিব’ও এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। পাকিস্তানে যেসব তালিবান সদস্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করেন, তাঁদেরই স্থানীয়ভাবে ‘ভালো তালিব’ বলা হয়। আহত ২৫ জনের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এখনও পর্যন্ত কোনো জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে প্রাথমিক তদন্তে প্রশাসনের সন্দেহ, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে ‘তেহরিক-ই-তালিবান’ (Tehreek-e-Taliban)। মূলত আত্মসমর্পণকারী প্রাক্তন জঙ্গি এবং শান্তি কমিটির সদস্যদের নিশানা করতেই এই আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়েছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। এর আগেও একাধিকবার এই অঞ্চলে শান্তি কমিটির ওপর হামলা চালিয়েছে টিটিপি।

সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, হামলার পর গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে পাক নিরাপত্তা বাহিনী। খাইবার পাখতুনখোয়ায় গত কয়েক বছরে জঙ্গিদের এই ধরনের টার্গেটেড হামলার পরিমাণ উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। চলতি মাসের শুরুতেও চার জন শান্তি কমিটির সদস্যকে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। এই বিয়েবাড়ির হামলা আবারও পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভঙ্গুর দশা সামনে এনে দিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *