উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ বলিউডের বিখ্যাত সংলাপের মতোই বাস্তবে যেন ‘তারিখ পে তারিখ’ খেলার নীতি নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতে আচমকা দলবদল করা সাংসদরা। কোন রাজনৈতিক দলে তাঁরা বর্তমানে অবস্থান করছেন, লোকসভার স্পিকারের কাছে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর প্রশ্নের উত্তর দিতে আরও একবার সময় চেয়ে আবেদন করলেন দলত্যাগী তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandyopadhyay)। সামনে পুজোর ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সচিবালয়ের কাছে আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন তাঁরা।
গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল বড়সড় রাজনৈতিক ভাঙনের মুখে পড়ে। বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার নেতৃত্বে পরিষদীয় দল দলত্যাগ করার পর তার প্রভাব পড়ে লোকসভার সংসদীয় দলেও। ফলস্বরূপ, তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ রাতারাতি দল ছেড়ে অখ্যাত দল ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই)-তে যোগ দেন। মুখে তাঁরা নিজেদের এনসিপিআই সাংসদ বলে দাবি করলেও, লোকসভার খাতায়-কলমে তাঁরা এখনও শাসকদল তৃণমূলেরই সাংসদ হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছেন।
এই দলবদল ও দলত্যাগ বিরোধী আইন ভাঙার অভিযোগে গত জুন মাসেই স্পিকার ওম বিড়লার কাছে এই ২০ জন সাংসদের পদ খারিজের দাবি জানিয়ে পৃথক পৃথক পিটিশন দাখিল করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয়, যার প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত স্পিকারের সচিবালয়কে নোটিস পাঠায়। এরপরই নড়েচড়ে বসে স্পিকারের সচিবালয় ওই ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। কিন্তু গত অগাস্ট মাস থেকে যতবারই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের পক্ষ থেকে নোটিসের জবাব তলব করা হয়েছে, ততবারই নানা অজুহাতে অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এবার চতুর্থ দফার সময়বৃদ্ধির আর্জিতে দুর্গাপুজোর ব্যস্ততার অজুহাত দিয়ে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়ে নিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
The submit Sudip Bandyopadhyay | ‘তারিখ পে তারিখ!’ দলত্যাগ মামলায় স্পিকারের নোটিসের মুখে ফের সময় প্রার্থনা তৃণমূলত্যাগী সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের appeared first on Uttarbanga Sambad.
