Strait of Hormuz | হরমুজের ‘ডেডলক’ কাটাতে দিল্লির ঝোড়ো ব্যাটিং: আটকে থাকা ২২টি জাহাজ ফেরাতে ইরানের সঙ্গে চলছে হাই-ভোল্টেজ বৈঠক

Strait of Hormuz | হরমুজের ‘ডেডলক’ কাটাতে দিল্লির ঝোড়ো ব্যাটিং: আটকে থাকা ২২টি জাহাজ ফেরাতে ইরানের সঙ্গে চলছে হাই-ভোল্টেজ বৈঠক

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রের মাঝে হরমুজ প্রণালীর উত্তাল জলরাশিতে আটকে পড়া ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে ঘরে ফেরাতে এবার সর্বশক্তি দিয়ে ময়দানে নামল ভারত। শিবালিক ও নন্দাদেবীর সাফল্যের পর, পারস্য উপসাগরে আটকে থাকা বাকি ২২টি জাহাজকে নিরাপদে বের করে আনাই এখন সাউথ ব্লকের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

এক নজরে বর্তমান পরিস্থিতি:
হরমুজ প্রণালীর পশ্চিম প্রান্তে এখনও ভারতের ২২টি জাহাজ নোঙর করে আছে। যার মধ্যে রয়েছে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি সব পণ্য:
• এলপিজি ও এলএনজি: ৭টি জাহাজ (৬টি এলপিজি, ১টি এলএনজি)।
• জ্বালানি তেল: ৪টি জাহাজ।
• অন্যান্য: রাসায়নিকবাহী ১টি, সাধারণ পণ্যবাহী ৫টি, ১টি ড্রেজার এবং রক্ষণাবেক্ষণাধীন ৩টি জাহাজ।

কূটনৈতিক তৎপরতায় ভারত
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শনিবার একটি যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, ভারতীয় জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনা চলছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ইতিমধ্যেই ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে চার দফায় ফোনে কথা বলেছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী মোদী খোদ ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলার পর তেহরান আশ্বস্ত করেছে যে, ভারতের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া হবে না। এই প্রসঙ্গে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘ইতিমধ্যে দুটি জাহাজ ভারতের দিকে রওনা দিয়েছে। এখন সেখানে ২২টি জাহাজ রয়েছে।জাহাজগুলি নিরাপদে ফেরানোর জন্য সেদেশের সরকারের সঙ্গে নিরবিচ্ছিন্ন আলোচনা চালিয়ে যাব আমরা।’

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব
পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, যুদ্ধের আবহে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বেশ কিছু নিয়ম পরিবর্তন করা হচ্ছে। বিশেষ করে, যাঁদের বাড়িতে পাইপড ন্যাচরাল গ্যাস (PNG) সংযোগ রয়েছে, তাঁরা আপাতত বাড়তি নিরাপত্তার খাতিরে এলপিজি সিলিন্ডার পাবেন না।

কেন হরমুজ প্রণালী এত গুরুত্বপূর্ণ?
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-তৃতীয়াংশ এই সঙ্কীর্ণ জলপথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের জেরে এই এলাকা এখন অগ্নিগর্ভ। ভারত শুধুমাত্র ইরান নয়, বরং আমেরিকা এবং ‘গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল’-এর সঙ্গেও সমান্তরালভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে ভারতের এনার্জি সিকিউরিটি কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *