নাটকের পর নাটক। রহমানুল্লা গুরবাজের ৪৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংসের পর শেষ ওভারে রইল বিরাট নাটক। আর শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের ম্যাচ গড়াল সুপার ওভারে।
এই বিষয়ে আরও খবর
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক রশিদ খান। শুরুটা ভালোই হয়েছিল আফগানিস্তানের। ফজলহক ফারুকির বলে ফেরেন প্রোটিয়া অধিনায়ক আইডেন মার্করাম। কিন্তু সেখান থেকে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নেন কুইন্টন ডি’কক ও রায়ান রিকেলটন। শুরুর ধাক্কায় রক্ষণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নেননি দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা। বরং দুই প্রোটিয়া ব্যাটারের দাপটে চাপে পড়ে যান আফগান বোলাররা। নূর আহমেদের এক ওভারে ২৩ রান নেন রিকেলটন। মাত্র ২৮ বলে ৬১ রান করে আউট হন রিকেলটন। অন্যদিকে ডি’কক ৪১ বলে করেন ৫৯ রান। মাঝে রানের গতি কিছুটা কমলেও জানসেন-মিলার জুটিতে শেষ দু’ওভারে ওঠে ২৮ রান। শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস থামে ১৮৭ রানে।
জবাবে একা কুম্ভ হয়ে লড়ে গেলেন। একদিকে নিয়মিত উইকেট পতন, অন্যদিকে গুরবাজের ব্যাটে রানের ফুলঝুরি। গুলবাদিন নাইব থেকে মহম্মদ নবি, কেউই রান পাননি। বরং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আউট হয়ে দলের বিপদ আরও বাড়ালেন। লুঙ্গি এনগিডির স্লোয়ারের দিশাই খুঁজে পাচ্ছিলেন না আফগান ব্যাটাররা। সেখানে ৪টা চার ও ৭টা ছক্কায় ৪২ বলে ৮৪ রান করেন গুরবাজ। মনে হচ্ছিল, একাই ম্যাচ বের করে নিয়ে যাবেন প্রাক্তন নাইট। কিন্তু প্রোটিয়াদের ম্যাচে ফেরাল তাঁদের বিখ্যাত ফিল্ডিং।
কেশব মহারাজের বলটা গুরবাজ মারতে গিয়েছিলেন কভারের উপর দিয়ে। কিন্তু ব্যাটের কোণায় লেগে চলে গেল শর্ট থার্ড ম্যানে। সেখানে অপেক্ষা করে ছিলেন জর্জ লিন্ডে। বাজপাখির মতো ছোঁ মেরে বল তালুবন্দি করেন তিনি। তবু গুরবাজের লড়াইটা জারি রেখেছিলেন আজমাতুল্লা ওমরজাই ও রশিদ খান। কিন্তু ওমারজাইকেও ফিরতে বাধ্য করল প্রোটিয়াদের অবিশ্বাস্য ফিল্ডিং। ত্রিস্তান স্টাবস বাউন্ডারি লাইনে বল ধরে মাঠের বাইরে চলে গিয়েও অবিশ্বাস্য ক্যাচ ধরেন। তার একটু পরে আউট রশিদ খানও। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১১ রান। নো বল আর রান আউটের নাটকে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
