Soda | ভারী খাবারের পর সোডায় ভরসা? উপকারের বদলে অপকারই হচ্ছে না তো?

Soda | ভারী খাবারের পর সোডায় ভরসা? উপকারের বদলে অপকারই হচ্ছে না তো?

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ভারী খাবার খাওয়ার পর অস্বস্তি কাটাতে আমাদের প্রথম পছন্দ ‘ফ্রেশ লাইম সোডা’ বা কার্বোনেটেড পানীয় (Soda)। এক ঢেঁকুরেই যেন মনে হয় শান্তি! কিন্তু এই সাময়িক স্বস্তি কি আদেও হজম করায়, নাকি শরীরের বারোটা বাজাচ্ছে?

স্বস্তি নাকি স্রেফ বিভ্রম?

সোডার মূল উপাদান কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস। এটি পাকস্থলীতে প্রবেশ করলে পেটের ভেতরের বাড়তি বাতাসকে ঠেলে বের করে দেয়, যার ফলে ঢেঁকুর ওঠে। আমাদের মনে হয় পেট হালকা হল, কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, এর সঙ্গে প্রকৃত হজমের সম্পর্ক প্রায় নেই বললেই চলে।

কেন সাবধান হওয়া জরুরি?

গ্যাস ও পেট ফাঁপা: সোডার সবটুকু গ্যাস ঢেকুর হয়ে বেরোয় না। বাড়তি গ্যাস পেটে থেকে গেলে পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে।

চিনি ও ক্যালোরি: সোডা বা সফট ড্রিঙ্কসে থাকা প্রচুর চিনি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং দ্রুত মেদ জমায়।

হজমে বাধা: পাকস্থলীর প্রাকৃতিক অ্যাসিড ও এনজাইম খাবার হজম করে। অতিরিক্ত সোডা এই অ্যাসিডকে পাতলা করে দেয়, ফলে হজম প্রক্রিয়া মন্থর হয়ে যায়।

হাড়ের ক্ষতি: নিয়মিত কার্বোনেটেড পানীয় হাড়ের ক্যালসিয়াম ক্ষয়ের কারণ হতে পারে।

বিকল্প পথ কী?

ভারী খাবারের পর সোডার বদলে বেছে নিন এই ঘরোয়া উপায়গুলি:

১. আদা চা বা গরম জল: খাওয়ার ৩০ মিনিট পর ঈষদুষ্ণ জল বা আদা চা পাকস্থলীর প্রদাহ কমায়।

২. পুদিনার শরবত: চিনি ছাড়া পুদিনা ও লেবুর রস পেট ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

৩. জোয়ান জল: এক গ্লাস জলে সামান্য নুন ও জোয়ান মিশিয়ে খেলে হজমে ম্যাজিকের মতো কাজ দেয়।

সাময়িক স্বস্তির মোহে সোডাকে অভ্যেস না বানিয়ে শরীরের প্রাকৃতিক হজম ক্ষমতার ওপর ভরসা রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। সুস্থ থাকতে জিভের স্বাদের চেয়ে শরীরের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *