Sitai | প্রচারে বেরিয়ে গ্রামবাসীর রোষের মুখে সংগীতা! তৃণমূল প্রার্থীকে ঘিরে বিক্ষোভ

Sitai | প্রচারে বেরিয়ে গ্রামবাসীর রোষের মুখে সংগীতা! তৃণমূল প্রার্থীকে ঘিরে বিক্ষোভ

ব্লগ/BLOG
Spread the love


সিতাই: রাস্তার বেহাল দশা। মেলেনি আবাস যোজনার ঘর। নির্বাচনি প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের রোষের মুখে সিতাইয়ের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সংগীতা রায়। বুধবার তিনি দিনহাটা-১ ব্লকে আটিয়াবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রচারে গেলে তাঁকে ঘিরে ৬/২৩৯ নম্বর বুথের বাসিন্দারা মূলত দুটি সমস্যা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। এমনকি সমস্যার সমাধান না হলে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি দেন মহিলারা।

তবে প্রচারে বেরিয়ে গ্রামবাসীর ক্ষোভের সম্মুখীন হলেও সংগীতার ধৈর্যচ্যুতি হয়নি। বরং তিনি মন দিয়ে সকলের কথা শোনেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। সংগীতা বলেন, ‘ভোটের পরে এই রাস্তার কাজ শুরু হবে এবং দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করা হবে।’ তাঁর আশ্বাসে সাময়িকভাবে স্থানীয়দের ক্ষোভ প্রশমন হয়। একাংশের আবার অভিযোগ, প্রতি নির্বাচনের আগে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয় না।

এদিন তৃণমূল প্রার্থী তাঁদের এলাকায় প্রচারে আসবেন জানতে পেরে গ্রামবাসী আগে থেকেই নালিশ জানাবেন বলে প্রস্তুত ছিলেন। তখন পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে যায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। অঞ্চল সভাপতি শশধর বর্মন এবং পঞ্চায়েত সদস্য জাহানারা বিবি বিক্ষোভকারীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। পরে সংগীতা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী গ্রামবাসী সরাসরি তাঁকে অভিযোগ জানান।
আটিয়াবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬/২৩৯ নম্বর বুথে প্রায় ১২০০ জন ভোটার। গত বেশ কয়েকটি নির্বাচনে তৃণমূল ওই বুথে এগিয়ে ছিল। তবে উন্নয়নে খামতি রয়েছে বলে দাবি বাসিন্দাদের। তাঁদের অভিযোগ, বছরের পর বছর কাদামাটির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ওঠে। ফলে স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অসুস্থ রোগীদের নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু রাস্তা পাকা করার ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এ প্রসঙ্গে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ নুর আলম হোসেন বলেন, ‘উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর প্রায় ৮০০ মিটার সিসি রোড তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তবে বর্তমানে নির্বাচনি বিধি জারি থাকায় কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।’ ভোটের পর কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান। ওই এলাকার টোটোচালক জহিরউদ্দিন মিয়াঁ হাতে আবাস যোজনার কাগজপত্র নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, ‘সার্ভে হওয়ার পরেও আমি ঘর পাইনি। অথচ এলাকায় এমন অনেকেই আছে, যাদের একাধিক ঘর হয়েছে।’ একই অভিযোগ করেন আনসার মিয়াঁ সহ আরও কয়েকজন। তাঁদের কথায়, প্রকৃত উপভোক্তারা আবাসের ঘর থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, সুবিধা পাচ্ছেন অন্যরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *