SIR | ভোটার কার্ডে বাবা-স্বামীর নাম ভুল, এসআইআর নিয়ে উদ্বেগে যৌনকর্মীরা

SIR | ভোটার কার্ডে বাবা-স্বামীর নাম ভুল, এসআইআর নিয়ে উদ্বেগে যৌনকর্মীরা

শিক্ষা
Spread the love


তন্দ্রা চক্রবর্তী দাস, কোচবিহার: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর (SIR) কাজ শুরু হতেই দিশেহারা যৌনপল্লির বাসিন্দারা। কারও নামে ভুল, তো কারও ভোটার কার্ডে বাবার নামই পালটে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কী করবেন, কোথায় যাবেন তা নিয়ে তথৈবচ দশা। আদৌ নতুন তালিকায় তাঁদের নাম থাকবে কি না, এ নিয়ে সংশয়ে পড়েছেন কোচবিহারের প্রিয়গঞ্জ কলোনির যৌনপল্লির বাসিন্দারা।

শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে রয়েছে সবচেয়ে বড় যৌনপল্লি। সেখানে প্রায় ৯০ থেকে ১০০ বাড়ি। প্রতিটিতেই ৭ থেকে ১০ জন ঘরভাড়া নিয়ে রয়েছেন। এই ভাড়াটিয়াদের বেশিরভাগই বাইরে থেকে আসা। কিন্তু যাঁরা এখানেই থাকছেন, এত বছর ভোটও দিয়েছেন, তাঁদের কয়েকজনের নথিতে অসংগতি রয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শুভ্রাংশ সাহা।

এখন বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। ফর্ম বিলির পাশাপাশি ফর্ম সংগ্রহ চলছে। এই পরিস্থিতিতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যৌনকর্মী জানালেন, জন্মের সময় সার্টিফিকেটে বাবার এক নাম ছিল। ভোটের কার্ডে নাম রয়েছে আরেকজনের। এজন্য কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এই কারণে যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছেন। তবে এসআইআর-এ ফর্ম ফিলআপ করার জন্য বিএলও-দের সঙ্গে যৌনকর্মীদের সংগঠন দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির কোচবিহার শাখার মেন্টর ছবি দাসও থাকছেন। ছবি বলেন, আমাদের এখানে কিছুটা সমস্যা তো আছেই। মহিলাদের দু’একজনের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ডে স্বামীর নাম আলাদা রয়েছে। এই নিয়ে তাঁরা যথেষ্ট চিন্তিত। তবে আশা করছি, এর কোনও না কোনও উপায় বের হবেই। এছাড়াও এখান থেকে যাঁরা ইতিমধ্যে বাইরে চলে গিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগের চেষ্টা করছি। যাঁরা এখানে ভাড়া থাকছেন, তাঁদের অনেকে ইতিমধ্যে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিভাবকের এপিক কার্ডের ফোটোকপি বা এপিক নম্বর আনিয়ে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছেন। অনেকে ফর্ম ফিলআপের জন্য বাড়িও চলে গিয়েছেন বলে জানালেন তিনি।

কাউন্সিলার বলেন, ‘যাতে এসআইআর নিয়ে এঁদের মধ্যে কোনওরকম আতঙ্ক না ছড়ায়, সেজন্য যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে সংশোধনের কাজ করা হচ্ছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *