উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর (SIR) নিয়ে সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ্যে। রাজ্যে এমন ২২০৮টি বুথের হদিস মিলেছে যেখান থেকে কোনও এনুমারেশন ফর্মই ফেরত আসেনি। অর্থাৎ সব এনুমারেশন ফর্মই পূরণ করার পর ডিজিটাইজেশনের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। কোনও বুথ থেকে ফর্ম ফেরত না আসার অর্থ হল সেই বুথের ভোটারদের মধ্যে কেউ মারা যাননি, কেউ অন্যত্রও চলে যাননি। যে তথ্যকে কার্যত অবিশ্বাস্য বলে মনে করছেন নির্বাচন কমিশনের (Election Fee of India) কর্তারা। সামগ্রীকভাবে এটা গোটা রাজ্যের ২২ জেলার তথ্য হলেও এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা। যেই জেলার ডায়মণ্ড হারবার কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেই রয়েছে এমন ৭৬০ টি বুথ। এরপর নাম রয়েছে পুরুলিয়ার। তারপর মুর্শিদাবাদ। এরপর রয়েছে মালদা। তারপর নদিয়া। ইতিমধ্যেই ডিইও-দের থেকে এই সবকটি বুথের রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। আগামীকালের মধ্যে জেলাশাসকদের সব খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিতে হবে।
একই সঙ্গে ১-টি করে ফেরত না আসা বুথের সংখ্যা ৫৪২ টি, ২-টি ফর্ম ফেরত আসা বুথের সংখ্যা ৪২০ টি, ৩ টি ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৩৭২, ৪ টি ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৩৭৪, ৫ টি ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৪৮১, ৬ টা ফর্ম ফেরত আসা বুথের সংখ্যা ৫৪৮, ৭ টা ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৫৮৫, ৮ টা ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৬৭৮, ৯ টি ফর্ম ফেরত আসা বুথ ৭৭৯ এবং ১০ টি করে ফর্ম ফেরত এসেছে এমন বুথের সংখ্যা ৮৫৭ টি। বিরোধীরা মনে করছেন, সম্পূর্ণ কারচুপি করে এই বুথগুলোতে মৃত স্থানান্তরিত ভোটারদের রেখে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘ওই জেলায় অমরত্ব মেলে। দ্রুত ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে যাচাই করা হোক। এই সব কিছু খতিয়ে দেখা হোক। নতুন করে এসআইআর করা হোক। ’ তৃণমূলের তন্ময় ঘোষ বলেন, এত তাড়াহুড়ো করে এসআইআর করতে কে বলেছিল?
