Siliguri | সুইচে উঠছে-নামছে সান্তাক্লজের চশমা

Siliguri | সুইচে উঠছে-নামছে সান্তাক্লজের চশমা

শিক্ষা
Spread the love


প্রিয়দর্শিনী বিশ্বাস, শিলিগুড়ি: লাল-সাদা পোশাক পরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন সান্তাক্লজ। সান্তাক্লজের চোখে আবার কালো চশমা রয়েছে। সঙ্গে আবার একটা সুইচও আছে। সুইচ টিপলেই সান্তাক্লজের চশমাটি চোখের থেকে কপালে উঠছে ও নামছে। আবার পায়ের জুতোয় আলো জ্বলছে। সেইসঙ্গে বাজছে ক্রিসমাসের গান। আবার আরেকটি সান্তাক্লজের সামনে রয়েছে কিছু বাদ্যযন্ত্র। সুইচ টিপলেই সান্তাক্লজ ওই বাদ্যযন্ত্রগুলি বাজাচ্ছে। আবার আরেক ধরনের সান্তাক্লজ হরিণের ওপর বসে রয়েছে। সুইচ দিলে হরিণ সহ সান্তাক্লজ চলতে শুরু করছে। বড়দিনের বাজারে এমন অভিনব জিনিস পাওয়া যাচ্ছে। বাচ্চারা এই জিনিসগুলি দেখে বেশ খুশি হচ্ছে। এই ধরনের সান্তাক্লজগুলির দাম প্রায় ৯০০ টাকা। তবে শুধু হরেকরকমের সান্তাক্লজই নয়, বাজারে বিভিন্ন সাইজের স্টার ও ক্রিসমাস লাইটও পাওয়া যাচ্ছে। এই জিনিসগুলি ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বড়দিন উপলক্ষ্যে শহরের বাজার রকমারি জিনিসে সেজে উঠেছে (Siliguri)। বড়দিন মানেই বিভিন্ন রকমের আলো, ক্রিসমাস ট্রি, ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর বিভিন্ন রংয়ের বল, সান্তাক্লজের পোশাক, লাল-সাদা সান্তা টুপি, সান্তাক্লজের মুখোশ, ঘণ্টা ইত্যাদি। বড়দিনের আগে চার্চগুলি ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-অফিস, শপিং মল সাজানো হয়। শেষবেলায় বড়দিনের বাজারও বেশ জমে উঠেছে।

বড়দিন উপলক্ষ্যে বিধান মার্কেটে ব্যবসায়ীরা পসরা সাজিয়ে বসেছেন। সেখানে রবিবার একটি দোকানে মায়ের সঙ্গে বন্ধুদের জন্য বড়দিনের উপহার কিনতে এসেছিল রাজু তিরকি। ২৫ ডিসেম্বর সকালে তাঁরা সবাই মিলে গির্জায় যান। সেখানে রাজু তার বন্ধুদের উপহার দেবে। উপহার হিসেবে সে দুটি ক্রিসমাস ট্রি কিনেছে। এছাড়া নিজের জন্য সান্তা টুপি ও স্টার কিনেছে সে।

হকার্স কর্নারে এদিন একটি সান্তাক্লজের পোশাক কিনছিল চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া শান্তনু পাল। বড়দিন উপলক্ষ্যে সে সান্তাক্লজ সাজবে বলে বায়না জুড়েছে। তাই তার বাবা তাকে নিয়ে হকার্স কর্নারে এসেছেন। বিভিন্ন ধরনের জিনিসের মধ্যে স্নো ট্রি, স্টার লাইট, ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর বল ক্রেতাদের নজর কাড়ছে।

বিধান মার্কেটের এক ব্যবসায়ী সঞ্জীত ঘোষ বলেন, ‘নভেম্বর থেকেই বড়দিনের বাজার শুরু হয়ে গিয়েছে। বিকিকিনি বেশ ভালোই চলছে। এখন বাজার প্রায় শেষের পথে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *