Siliguri | টিকিট বিক্রির বিপুল টাকা আত্মস্যাৎ! গ্রেপ্তার রেলকর্মীর স্ত্রী

Siliguri | টিকিট বিক্রির বিপুল টাকা আত্মস্যাৎ! গ্রেপ্তার রেলকর্মীর স্ত্রী

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


শিলিগুড়ি: রেলের টিকিট বিক্রির বিপুল পরিমান টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে এক রেলকর্মীর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করল এনজেপি থানার পুলিশ। ধৃত জয়শ্রী সরকার ভক্তিনগর সেন্ট্রাল কলোনীর বাসিন্দা। ধৃতের স্বামী অনিশ সরকার এনজেপি স্টেশনে কমার্শিয়াল সুপারভাইজার পদে কর্মরত।

জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জয়শ্রীকে থানায় ডেকে পাঠানো হয়। তার আয় বর্হিভূত বিপুল পরিমান সম্পত্তি নিয়ে পুলিশের সন্দেহের কারনেই এদিন তাকে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের দরুন তার জবাবে সন্তুষ্ট না হওয়ায়, পুলিশ ওই মহিলাকে গ্রেপ্তার করে এদিনই জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠায়। সেখানে আদালতের তরফে মহিলাকে একদিনের জেল হেপাজতে পাঠানো হয়। সোমবার মহিলাকে আবারও আদালতে তোলা হবে।

পুলিশ সূত্রে খবর, এনজেপি স্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রির টাকা ব্যাঙ্কে জমা করার দায়িত্ব ছিল অনিশ সরকারের। কিন্তু গত বছর ৩ জানুয়ারির টিকিট বিক্রি থেকে আয় হওয়া ১৪ লক্ষ ৭৯ হাজার ৫৩৪ টাকা ব্যাঙ্কে জমা না হওয়ার বিষয়টি সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে। বিষয়টি নিয়ে এনজেপির চিফ কমার্শিয়াল ইন্সপেক্টর গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি এনজেপি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, টিকিট বিক্রির প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যাঙ্কে জমা করা হয়নি। অনিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে টিকিট বিক্রির টাকা নয়ছয় করে সেই টাকা তিনি স্ত্রীর বিভিন্ন ব্যবসাতে খাটাতেন।

এদিকে, থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই অভিযুক্ত গা ঢাকা দেয়। পরবর্তীতে তিনি জলপাইগুড়ির কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ থেকে আগাম জামিন নিয়ে নেন। অভিযুক্তের একটি বিলাসবহুল চারচাকার গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত জয়শ্রী বাবুপাড়ার একটি বেসরকারি ইংরাজী প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। কিন্তু সেখান থেকে যৎসামান্য মাইনে পাওয়া সত্ত্বেও তাঁর বিলাসবহুল জীবনযাত্রা দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। মহিলার আয়ের উৎস যাচাইয়ের পাশাপাশি কত টাকা তিনি আয়কর দেন, সেই কাগজ পুলিশ খতিয়ে দেখেন। আর তাতেই পুলিশের সন্দেহ হয়।

সূত্রের খবর, মহিলার আয়করের নথিতে দেখানো রয়েছে তার বার্ষিক আয় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা। কিন্তু তার কাছে এর চাইতে অনেক বেশি পরিমান সম্পত্তি রয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশের এক কর্তা জানান, অনিশের টাকা তাঁর স্ত্রীর ব্যবসাতে ব্যবহার করা হত। অনিশ শ্রমিক নেতা হিসাবে পরিচিত ছিল। তবে এদিন স্ত্রীর গ্রেপ্তারির পর অন‌িশকে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তাঁর ফোন ‘এনগেজ’ পাওয়া যায়। এরপর তাঁকে হোয়াটঅ্যাপে কল করা হলেও তিনি কোনও জবাব দেননি



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *