Shuvendu Adhikari | নয়া রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ শুভেন্দুর! অনুপ্রবেশ থেকে তোষণ, একগুচ্ছ নালিশ বিরোধী দলনেতার

Shuvendu Adhikari | নয়া রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ শুভেন্দুর! অনুপ্রবেশ থেকে তোষণ, একগুচ্ছ নালিশ বিরোধী দলনেতার

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:  বাংলার নবনিযুক্ত রাজ্যপাল আর এন রবির সঙ্গে লোকভবন গিয়ে দেখা করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Shuvendu Adhikari)। গতকাল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও, আজ সকালেই রাজ্যপালের মুখোমুখি হন তিনি। নতুন রাজ্যপালকে (RN Ravi) একগুচ্ছ কমলা গোলাপ এবং শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা উপহার দিয়ে স্বাগত জানান শুভেন্দু। প্রায় ৩০ মিনিটের এই দীর্ঘ বৈঠকে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা থেকে শুরু করে অনুপ্রবেশ— একাধিক ইস্যুতে নালিশ জানিয়েছেন তিনি।

রাজভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্যপালের শপথ অনুষ্ঠানে মুখ্যসচিব আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, কিন্তু দিল্লিতে থাকার কারণে আমি আসতে পারিনি। আজ সময় চেয়ে দেখা করেছি। আমি ওনাকে হাতজোড় করে বলেছি— দয়া করে সংবিধান বাঁচান।” রাজ্যে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে তিনি আরও যোগ করেন, “বিগত ৫ বছরে বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমাকে সাড়ে ১১ মাস বিধানসভার বাইরে থাকতে হয়েছে। পাঁচ বার সাসপেন্ড করা হয়েছে। আমি রাজ্যপালকে বলেছি, আপনি এমন পরিস্থিতি অন্য কোথাও দেখেননি।”

রাজ্য সরকারকে তীব্র নিশানা করে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, এ রাজ্যে আমলারা অবসর নেওয়ার পরও পদ ছাড়ছেন না এবং বিচারব্যবস্থাও আক্রান্ত হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) দিকে আঙুল তুলে তিনি বলেন, “এ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান লক্ষ্য তোষণ। ৫৫০ কিলোমিটার সীমান্তে বেড়া নেই, ফলে হু হু করে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গারা ঢুকছে। এর ফলে বাংলার জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। আমি ওনাকে বলেছি— বাংলাকে বাঁচান।”

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বাংলা সফর ঘিরে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও সরব হন বিরোধী দলনেতা। তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যা হয়েছে তা কোনওভাবেই ‘ক্লোজ চ্যাপ্টার’ হতে পারে না এবং এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। শুভেন্দুর দাবি, রাজ্যপাল অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে তাঁর সব কথা শুনেছেন এবং গণতন্ত্র রক্ষায় তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে তাঁর বিশ্বাস।

এদিন সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA) আন্দোলনকেও পূর্ণ সমর্থন জানান শুভেন্দু। তিনি স্পষ্ট বলেন, “আজকের আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কারণে যদি কারও বেতন কাটা হয় বা কারও ওপর জুলুম হয়, তবে বিরোধী দলনেতা তাঁদের পাশে থাকবেন। বিজেপি সরকার এলেই বেতন বৃদ্ধি হবে।” অন্যদিকে, রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে তৃণমূলের আন্দোলনকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “তৃণমূল বরং ইরান চলে যাক। কেন্দ্রীয় সরকার টিকিটের ব্যবস্থা করে দেবে। খামেনেই-র বাড়ির সামনে গিয়ে ওরা ধর্না দিক।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *