Shruti Shivam | পর্তুগাল বনাম ভারত: বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতের কোন সুবিধাগুলো মিস করছেন এই ভারতীয়?

Shruti Shivam | পর্তুগাল বনাম ভারত: বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতের কোন সুবিধাগুলো মিস করছেন এই ভারতীয়?

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: পর্তুগালে বসবাসকারী এক ভারতীয় তরুণীর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট এখন নেটদুনিয়ায় চর্চার কেন্দ্রে। শ্রুতি শিবম (Shruti Shivam) নামে ওই তরুণী তাঁর ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে তুলে ধরেছেন ভারত ও পর্তুগালের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার আকাশ-পাতাল পার্থক্য। বিদেশের মাটিতে থেকেও তিনি বুঝতে পারছেন, ভারতে (India) থাকাকালীন আমরা যে পরিষেবাগুলো খুব সহজে পেয়ে থাকি, বিদেশের জীবনে সেগুলোর অভাব কতটা প্রকট।

ভিডিওটির শিরোনামে তিনি লিখেছেন, “POV: পর্তুগালে (Portugal) এসে আমি ভারতের সেই সুবিধাগুলোর গুরুত্ব বুঝতে পারছি, যা আগে নগণ্য মনে হতো।” শ্রুতির মতে, ভারতের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার গতি ও সহজলভ্যতা বিদেশের তুলনায় অনেক বেশি।

তাঁর পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরা হল:

  • ডোরস্টেপ ডেলিভারি: ভারতে খাবার, গ্রোসারি বা ওষুধ—সবই এখন ঘরের দরজায় ডেলিভারি পাওয়া যায়। পর্তুগালে কিন্তু এখনও অধিকাংশ জিনিসের জন্য দোকানে গিয়ে সশরীরে কেনাকাটা করতে হয়।
  • ডেলিভারির গতি: ভারতের মেট্রো শহরগুলোতে ১০-মিনিট, একই দিন বা পরের দিন ডেলিভারি পাওয়া এখন সাধারণ বিষয়। পর্তুগালে পরের দিনের ডেলিভারিও সেখানে দ্রুত বলে মনে হয়।
  • জরুরি কাজ ও পরিকল্পনা: ভারতে অনেক ছোটখাটো কাজ তাৎক্ষণিকভাবে করা সম্ভব। কিন্তু পর্তুগালে জীবন চলে কঠোর নিয়ম ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের ভিত্তিতে। কোনো কাজ করতে গেলে আগে থেকে পরিকল্পনা করা বাধ্যতামূলক।
  • স্বাস্থ্যসেবা ও যাতায়াত: ভারতে ডাক্তার দেখানো বা ওষুধের দোকান পাওয়া অনেক সহজ। পর্তুগালের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল হলেও ছোটখাটো প্রয়োজনে অনেক সময় লাগে। এছাড়া ভারতে অটো, ক্যাব বা লোকাল পরিবহনের সহজলভ্যতা ও কম খরচ পর্তুগালের তুলনায় অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের।
  • মেরামতি বা রিপেয়ারিং কালচার: এটিই হয়তো সবচেয়ে বড় পার্থক্য। ভারতে অল্প খরচে প্রায় সবকিছুই মেরামত করা সম্ভব। অন্যদিকে, পর্তুগালে মেরামতির চেয়ে নতুন জিনিস কেনার দিকেই মানুষের ঝোঁক বেশি। এছাড়া ইলেক্ট্রিশিয়ান বা প্লাম্বার ডাকতে গেলেও সেখানে অ্যাপয়েন্টমেন্টের কড়াকড়ি ও খরচ অনেক বেশি।

শ্রুতির এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। বহু প্রবাসী ভারতীয় তাঁর সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন। পর্তুগাল বা ইউরোপের অন্যান্য দেশে থাকা ভারতীয়রা কমেন্ট বক্সে জানিয়েছেন, ভারতের ওই ‘সহজ জীবনযাত্রা’ সত্যিই অনেক বেশি কার্যকর।

অনেকেই মনে করছেন, প্রযুক্তির উন্নতির ফলে ভারত বর্তমানে যে গতিতে পরিষেবা দিচ্ছে, তা বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছেও এক বড় উদাহরণ। তবে বিদেশে জীবনযাত্রার শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তার দিকটিও অনেকে এই আলোচনায় তুলে ধরেছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *