Samsi | রাতের আঁধারে বেআইনি পারাপার! মাঝ নদীতে নৌকা উলটে মৃত্যু

Samsi | রাতের আঁধারে বেআইনি পারাপার! মাঝ নদীতে নৌকা উলটে মৃত্যু

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


মুরতুজ আলম,সামসী: মালদা জেলার চাঁচল-১ ব্লকে অবস্থিত জগন্নাথপুর-মুকুন্দপুর ঘাট। মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও বিহারের বাসিন্দাদের কাছে এই ঘাটটির খুবই গুরুত্ব রয়েছে। আর এই ঘাট দিয়েই মহানন্দা নদী পারাপার করতে গিয়ে মাঝ নদীতে নৌকা উলটে মারা গেলেন এক মহিলা। মৃতার নাম রানি সাহা(৪০), বাড়ি ইটাহার থানার মুকুন্দপুর গ্রামে। ঘটনার দরুন আরও ২ ব্যক্তি কোনওরকম নদী সাঁতরে ডাঙায় উঠে প্রাণ বাঁচান। এদের মধ্যে একজন মৃত মহিলার ছেলে ও অপরজন নৌকার মাঝি। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত ১১ টা নাগাদ। এই নৌকাডুবির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সারারাত খোঁজাখুঁজির পর শনিবার সকাল ৯ টা নাগাদ জগন্নাথপুর ঘাটের এক কিমি দূরে ওই মহিলার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে এই ঘাটেই অতিরিক্ত যাত্রী বহন করার ফলে এক ভয়াবহ নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটেছিল। সেবার নৌকাডুবিতে ১০ জন মারা গিয়েছিলেন। তলিয়ে গিয়ে জখম হয়েছিলেন প্রায় ২০ জন। ঘটনার পরপরই প্রশাসনের তরফে জগন্নাথপুর ঘাট ‘সিল’ করে দেওয়া হয়েছিল। তারপরেও রাতের অন্ধকারে কী করে নৌকা চলে এই ঘাটে? এনিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই প্রসঙ্গে প্রশাসনের নজরদারির অভাবকেই দায়ী করছেন এলাকাবাসী। ঘটনার দরুন এলাকায় পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পাকা সেতু না তৈরি হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামারও হুশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

ঘটনা প্রসঙ্গে মালদা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন বলেন, ‘জগন্নাথপুর ঘাটটি বাংলা ও বিহারের জংশন। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে গাইডলাইন মেনে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাতে পুনরায় ওই ঘাটে নৌকা চালানো যায়, খুব শীঘ্রই সেই ব্যবস্থা করা হবে। সুখা মরসুমে নদীতে জল খুব কম থাকে।তাই সরকারিভাবে বাঁশের সাঁকোও নির্মাণ করা যেতে পারে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *