উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: বলিউডের ‘ভাইজান’ সলমন খানের (Salman Khan) পনবেলের খামারবাড়ি নিয়ে প্রতিবেশী কেতন কক্কড়ের করা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ঘিরে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই চলছে। সলমনের বিরুদ্ধে শিশুপাচার থেকে শুরু করে মৃতদেহ কবর দেওয়ার মতো গুরুতর ও কুরুচিকর অভিযোগ এনেছিলেন তাঁর প্রতিবেশী কেতন। সেই মামলাতেই এবার বড়সড়ো পদক্ষেপ করল বম্বে হাইকোর্ট (Bombay Excessive Courtroom)।
সলমনের পনবেলের খামারবাড়ির পাশেই জমি রয়েছে কেতনের। ২০২২ সাল থেকে দুজনের মধ্যে সংঘাত তুঙ্গে ওঠে। কেতন কক্কড় বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল এবং সমাজমাধ্যমে সলমন খানের বিরুদ্ধে একের পর এক আক্রমণাত্মক মন্তব্য করতে শুরু করেন। অভিনেতার অভিযোগ, প্রতিবেশী তাঁর মা-বাবা এবং তাঁর ব্যক্তিগত ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে। এই অপমানজনক মন্তব্যের জেরে সলমন তাঁর প্রতিবেশী কেতন কক্কড়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন।
বিচারপতি শর্মিলা দেশমুখের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলাকালীন আদালত বেশ কড়া অবস্থান নিয়েছে। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, আইনি বিবাদের বিষয়টি নিয়ে কোনো পক্ষই সমাজমাধ্যমে কোনো তথ্য বা মন্তব্য প্রকাশ করতে পারবে না। বিচারপতি কেতন কক্কড়কে পরামর্শ দিয়েছেন, তিনি যেন সলমন খানকে নিয়ে করা সমস্ত বিতর্কিত পোস্ট, টুইট এবং ভিডিও অনলাইন থেকে অবিলম্বে সরিয়ে ফেলেন। আদালত আরও স্পষ্ট করেছে যে, যদি তৃতীয় কোনো পক্ষের মাধ্যমেও এই ধরনের বিতর্কিত ‘কন্টেন্ট’ ছড়িয়ে থাকে, তবে তা সরানোর দায়িত্ব বিবাদীদেরই নিতে হবে।
অন্যদিকে, কেতন কক্কড় অভিযোগ করেছেন, সলমন পরিবেশগত নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন ও তাঁর সম্পত্তিতে প্রবেশে বাধা দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। আগামী ৬ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
