বিধানসভা ভোটের আগে বঙ্গে হাইভোল্টেজ জনসভা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শনিবার একটি সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি (PM Modi Brigade Rally)। জাতীয় সড়ক উদ্বোধনের পাশাপাশি ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরকে ভোকাল টনিক দেবেন প্রধানমন্ত্রী। আর তাঁর এই অনুষ্ঠান ঘিরে সাজ সাজ রব, তুঙ্গে প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সভাস্থলের আশপাশে ‘নো ফ্লাই জোন’ হওয়ায় উড়বে না কোনও ড্রোন। তবে বহুতলগুলি থেকে বায়নোকুলারের মাধ্যমে চলবে নজরদারি। প্রায় ৩০০০ নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন থাকছে। নিরাপত্তার সার্বিক দায়িত্বে এডিজি, উপকূলরক্ষী বাহিনী। শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রিগেডের সেই প্রস্তুতি খতিয়ে দেখল বিজেপি নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন:


মোদির এই অনুষ্ঠান ঘিরে সাজ সাজ রব, তুঙ্গে প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সভাস্থলের আশপাশে ‘নো ফ্লাই জোন’ হওয়ায় উড়বে না কোনও ড্রোন। তবে বহুতলগুলি থেকে বায়নোকুলারের মাধ্যমে চলবে নজরদারি। প্রায় ৩০০০ নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন থাকছে। নিরাপত্তার সার্বিক দায়িত্বে এডিজি, উপকূলরক্ষী বাহিনী।
জানা যাচ্ছে, শনিবার সকাল থেকে ব্রিগেড ও সংলগ্ন গোটা এলাকাজুড়ে নিরাপত্তার কড়াকড়ি। সেক্টর অনুযায়ী ভাগ করে নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। সেক্টরগুলির দায়িত্বে থাকবেন ডেপুটি পদমর্যাদাসম্পন্ন অফিসাররা। চার থেকে ৫টি সেক্টর মিলিয়ে একজন যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের আধিকারিকরাও। আরও জানা গিয়েছে, কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যে রাস্তা ধরে ব্রিগেডমুখী মিছিল আসবে, সেখানে থাকবে কমবেশি ৫০টি পিকেট।


শিয়ালদহ, হাওড়া, শ্যামবাজার, দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গা থেকে মিছিল আসার কথা ব্রিগেডে। এসব রাস্তায় পর্যাপ্ত সিসিটিভি থাকবে। ব্রিগেডের মঞ্চ এবং সংলগ্ন এলাকাতেও সিসিটিভির নজরদারি চালাবে পুলিশ। এই এলাকা ‘নো-ফ্লাই জোন’ হওয়ায় কোনও ড্রোন থাকবে না। তবে আশপাশের বহুতল থেকে বায়নোকুলার নিয়ে নজরদারি চলবে।


আরও পড়ুন:
কলকাতায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান ঘিরে ট্রাফিকও নিয়ন্ত্রণ করা হবে। শিয়ালদহ, হাওড়া, শ্যামবাজারের মতো রাস্তাগুলিতে ভোর ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ট্রাম ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল ঘুরিয়ে দেওয়া হতে পারে। এছাড়া এসপ্ল্যানেড কেপি রোড, হসপিটাল রোড, লাভার্স লেন, ক্যাসুরিনা অ্যাভিনিউ, কুইসনওয়েতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এছাড়া অন্যান্য যেকোনও রাস্তায় যানচলাচল প্রয়োজনমতো বদল করা হতে পারে। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশকে সেইমতো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
