Russia-India Oil Information | ‘হিসাব দেওয়া হবে না’, ভারতকে তেল রপ্তানি নিয়ে সাফ জবাব পুতিন দপ্তরের

Russia-India Oil Information | ‘হিসাব দেওয়া হবে না’, ভারতকে তেল রপ্তানি নিয়ে সাফ জবাব পুতিন দপ্তরের

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে ফের একবার মাস্টারস্ট্রোক দিল রাশিয়া। ভারতকে তেল রপ্তানি সংক্রান্ত কোনও তথ্যই প্রকাশ্যে আনা হবে না বলে শুক্রবার সরাসরি জানিয়ে দিল ক্রেমলিন (Russia-India Oil Information)। মার্কিন রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন, “আমরা আমাদের অতি অশুভাকাঙ্ক্ষীদের হাত থেকে এই বাণিজ্যিক তথ্য গোপন রাখব।”

ট্রাম্প প্রশাসনের ‘শর্ত’ ও রাশিয়ার জবাব

সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ায় ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের (Iran-Israel Battle) আবহে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সরকার ভারতকে সমুদ্রপথে আটকে থাকা রুশ তেল খালাসের জন্য ৩০ দিনের বিশেষ ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করে। কিন্তু সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মস্কো স্পষ্ট করে দিল যে, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যকার তেল বাণিজ্যের কোনও হিসাব তারা গোপন রাখবে।

কেন এই গোপনীয়তা?

আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলির দাবি, ভারত বা চিনের মতো দেশে তেল বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করছে রাশিয়া। এই অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর হুমকিও দিয়েছিল। রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক অবশ্য জানিয়েছেন, ইরান সংকটের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতের তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে, তাই বন্ধু দেশ হিসেবে তেলের সরবরাহ আরও বাড়াতে প্রস্তুত মস্কো। কিন্তু সেই বাণিজ্যের পরিমাণ বা ট্র্যাকিং ডেটা কোনওভাবেই প্রকাশ্যে আনতে রাজি নয় পুতিন প্রশাসন।

ভারতের অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থ

নয়াদিল্লি বরাবরই জানিয়ে এসেছে যে, ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থই বাণিজ্যনীতির প্রধান নির্ধারক। কোনও নির্দিষ্ট দেশের চাপে পড়ে তেল কেনা বন্ধ করবে না ভারত। ট্রাম্প প্রশাসন মাঝে দাবি করেছিল যে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করেছে, কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি এবং উপগ্রহ চিত্র অন্য কথা বলছে। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে রাশিয়ার একাধিক তেলের ট্যাঙ্কার ভারতের শোধনাগারগুলির অভিমুখে এগোতে দেখা গেছে। রাশিয়ার এই গোপনীয়তা বজায় রাখার সিদ্ধান্ত আদতে ভারতের ওপর মার্কিন চাপ কমানোর একটি কৌশল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *