Rinku Singh | টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝেই পিতৃহারা রিঙ্কু, ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বাবা খঞ্চন্দ সিং

Rinku Singh | টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝেই পিতৃহারা রিঙ্কু, ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বাবা খঞ্চন্দ সিং

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা ব্যাটার রিঙ্কু সিংয়ের পরিবারে নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। শুক্রবার সকালে গ্রেটার নয়ডার যথার্থ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তাঁর বাবা খঞ্চন্দ সিং। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চতুর্থ পর্যায়ের (Stage-4) ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন।

হাসপাতালের লড়াই ও শেষ মুহূর্ত
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরেই খঞ্চন্দ সিং মারণরোগ ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে গ্রেটার নয়ডার যথার্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে চিকিৎসকরা তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি; আজ সকালে তিনি পরলোকগমন করেন।

দেশের দায়িত্ব বনাম ব্যক্তিগত শোক
বর্তমানে রিঙ্কু সিং ভারতীয় দলের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যস্ত রয়েছেন। বাবার আশঙ্কাজনক অবস্থার কথা শুনে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচের ঠিক আগেই তিনি তড়িঘড়ি গ্রেটার নয়ডায় ছুটে গিয়েছিলেন। বাবার শিয়রে কিছু সময় কাটিয়ে পুনরায় দলের সঙ্গে যোগ দেন তিনি।

জিম্বাবুয়ে ম্যাচে রিঙ্কু
জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রিঙ্কু সিংকে মূল একাদশে (Enjoying XI) রাখা হয়নি। তাঁর পরিবর্তে দলে সুযোগ পান সঞ্জু স্যামসন। তবে ব্যক্তিগত শোকের পাহাড় বুকে নিয়েও ক্রিকেটের প্রতি দায়বদ্ধতা ভোলেননি এই তরুণ ক্রিকেটার। ম্যাচে মূল একাদশে না থাকলেও, একাদশের বাইরে থেকে সাবস্টিটিউট ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নেমে দলের জন্য অবদান রাখতে দেখা গেছে তাঁকে।

শোকাতুর ক্রিকেট মহল
রিঙ্কু সিংয়ের বাবার প্রয়াণে ক্রিকেট মহলে শোকের আমেজ। উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা রিঙ্কুর সাফল্যের পেছনে তাঁর বাবার সংগ্রাম ছিল অনুপ্রেরণার গল্প। খঞ্চন্দ সিং সবসময় চেয়েছিলেন তাঁর ছেলে দেশের হয়ে খেলুক। বিসিসিআই এবং সতীর্থ ক্রিকেটাররা রিঙ্কুর এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *