Report In opposition to 242 officer Submitted to Election Fee in Falata Incident

Report In opposition to 242 officer Submitted to Election Fee in Falata Incident

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


বাতিল হয়েছে গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন। একাধিক অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখে ফলতার ২৮৫টি বুথের সবকটিতেই ২১ মে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ফল প্রকাশিত হবে ২৪ মে। তার আগে এই কেন্দ্রের বিতর্কিত ৬০টি বুথকে ঘিরে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত মিলেছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ৬০টি বুথের ফার্স্ট, সেকেন্ড, থার্ড পোলিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার ও অবজারভার— সব মিলিয়ে ২৪২ জনের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত মোট ২৪২ জনের বিরুদ্ধে এই রিপোর্টটি পাঠিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় একাধিক আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হবে। এমনকী কারও কারও চাকরি নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

এই বিষয়ে আরও খবর

২৯ এপ্রিল ভোটের দিন ফলতার বিধানসভার বেশ কয়েকটি বুথের ইভিএমে বিজেপির প্রতীকের উপর টেপ লাগানোরও অভিযোগ সামনে আসে। এছাড়াও এই কেন্দ্রের অন্যান্য বুথ থেকেও একাধিক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। রিপোর্টে ২৪২ জনের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতি, অভিযোগ উপেক্ষা এবং সময়মতো পদক্ষেপ না করার মতো একাধিক বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

টেপ লাগানো সংক্রান্ত অভিযোগ রিটার্নিং অফিসার স্বীকার করলেও কেন অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি সেই প্রশ্ন উঠেছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর বিষয়টি যখন জানতে পারে তখন ভোটদানের হার ছিল ৩৮ শতাংশ। কার্যকর পদক্ষেপ করতে করতে সেই হার পৌঁছে যায় ৬২ শতাংশে। কেন এত দেরি হল, কেন ভোট প্রক্রিয়া সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হল না, সেই সব প্রশ্ন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, কমিশনের সচিব-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিক কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে বসে ফলতার বুথগুলির ওয়েবকাস্টিং ফুটেজ খতিয়ে দেখেছেন। বুথভিত্তিক ফুটেজ পরীক্ষা করে কোথায় কী ধরনের অনিয়ম ঘটেছে তা দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছেন। উল্লেখ্য, দুঁদে আইপিএস ‘সিংঘম’ অজয়পাল শর্মাকে পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার পরেও কোনও লাভ হয়নি। ভোটের দিন তিনি এলাকায় দাঁপিয়ে বেরিয়েছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও রিগিং রোখা সম্ভব হয়নি। এর জন্য পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্বজ্ঞানহীনতাকে দায়ী করেছে তৃণমূল।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *