Raiganj | শ্মশানে সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়া নিয়ে জট, একজোট সিপিএম-বিজেপি!

Raiganj | শ্মশানে সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়া নিয়ে জট, একজোট সিপিএম-বিজেপি!

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


রায়গঞ্জ: শ্মশানের জমিতে সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়া নিয়ে আড়াআড়ি বিভক্ত হয়ে পড়ল গ্রাম। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ (Raiganj) ব্লকের মাড়াইকুড়া এলাকায় সরকারি প্রকল্পের কাজ থমকে যাওয়ায় তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তর্জা। তৃণমূলের (TMC) একাংশের বিরুদ্ধে কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর গ্রামবাসীদের স্বার্থে সিপিএম (CPM) ও বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব একজোট হয়ে গণস্বাক্ষর সংগ্রহে নামায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, সরকারি কাজ থমকে যাওয়ার পিছনে রয়েছে কিছু ভুল ভাবনা। স্থানীয়দের কেউ কেউ চাইছেন না পুরোনো শ্মশানের জমিতে সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র হোক।

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের ৬২ লক্ষ ৬৩ হাজার ৫৯০ টাকা বরাদ্দে এই নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি সদস্যা জয়া রায় বর্মনের অভিযোগ, তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য সঞ্জয় দেব বর্মন তাঁর অনুগামীদের উসকে দিয়ে কাজ আটকে দিয়েছেন। জয়ার দাবি, ‘ওই শ্মশানে এখন আর কোনও দাহকার্য হয় না। সেখানে নেশার ঠেক তৈরি হয়েছে। সঞ্জয় কিছু ছেলেদের উসকে দিয়ে কাজ আটকে দিয়েছে।’ এমনকি শ্মশানে এখনও সৎকার হয়, চিতা জ্বলছে তা দেখানোর জন্য খড়-কাঠ জ্বালিয়ে ভুয়ো প্রচার চালানো হচ্ছে বলে জয়া অভিযোগ করেন।

যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সঞ্জয়। তাঁর বক্তব্য, ‘শ্মশানের জমিতে সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র হলে এলাকাবাসীর সমস্যা হবে। সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য আমি নিজের দুই কাঠা জমি দান করতে চেয়েছি।’

তাহলে এখানে সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে কেন? যাঁরা সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণে বাধা দিচ্ছেন, তাঁদেরই একজন বিশ্বজিৎ বর্মন বলেন, ‘পুরোনো শ্মশানের জমিতে সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র হলে অনেকেই আসতে চাইবেন না। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা কিংবা শিশু ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মধ্যে শ্মশানে বানানো সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসার ক্ষেত্রে অনীহা থাকবে।’

এদিকে, সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে এই অচলাবস্থা কাটাতে বৃহস্পতিবার সিপিএম ও বিজেপি কর্মীরা দলীয় পতাকা সরিয়ে রেখে একযোগে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেন। সিপিএম নেতা মোহিত বর্মন সাফ জানান, গ্রামের মানুষের স্বার্থে সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র খুবই জরুরি। আমরা চাই শিডিউল মেনে স্বাস্থ্যকেন্দ্র হোক। আর গ্রামের শিক্ষক মিলন পালের আশঙ্কা, ‘এভাবে সরকারি কাজে বাধা দিলে গ্রামে আর কোনও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ হবে না। তাই সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণে সবাই আমরা একসঙ্গে আছি।’ গ্রামবাসীদের দাবি, এখানে স্বাস্থ্যকেন্দ্র হলে মদ ও জুয়ার আড্ডা বন্ধ হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *