উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: আরজি কর মেডিকেল কলেজের দুর্নীতি (R G Kar Corruption) প্রকাশ্যে আনেন তিনিই। রাজ্য ভিজিল্যান্স কমিশনকে ২০২৩ সালে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন সেই সময়ে হাসপাতালের ডেপুটি সুপার (নন মেডিকেল) আখতার আলি (Akhtar Ali)। ১৫টি অনিয়মের কথা উল্লেখ করেছিলেন তিনি। এর পরে তাঁকে বদলি করা হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। সেই আখতার আলির নামই আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতির অভিযোগে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে উল্লেখ করল সিবিআই। অর্থাৎ যিনি এতদিন ছিলেন অভিযোগকারীর ভূমিকায় তিনিই এখন হয়ে গেলেন অভিযুক্ত। সোমবার আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতে চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, টেন্ডার-সহ একাধিক দুর্নীতিতে যুক্ত আখতার। শশীকান্ত ছন্দক নামে আরও এক ঠিকাদারের নাম রয়েছে সিবিআই-র সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে।
উল্লেখ্য আখতার আলি এই দুর্নীতির অভিযোগ তোলার পর তা ধামাচাপা পড়ে যায়। কিন্তু আরজিকর হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর ফের এনিয়ে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। ধর্ষণকাণ্ডের পর আখতারের সেই অভিযোগকে ভিত্তি করেই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে সিবিআই। গ্রেপ্তার হন সন্দীপ ঘোষ। সিবিআই-এর দাবি, বিভিন্ন সংস্থাকে টেন্ডারের বিনিময়ে টাকা আখতার টাকা নিয়েছেন স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে। শুধু তাই নয়, আখতারের বিদেশ ভ্রমণের খরচ এসেছে বিভিন্ন সংস্থা থেকে। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ আখতারকে সাসপেন্ড করে স্বাস্থ্য ভবনও।
