Purba Bardhaman | নাম নেই ভোটার তালিকায়, হাতে ভোটকর্মীর চিঠি! পূর্ব বর্ধমানে কমিশনের ‘অদ্ভুত’ কাণ্ডে শোরগোল

Purba Bardhaman | নাম নেই ভোটার তালিকায়, হাতে ভোটকর্মীর চিঠি! পূর্ব বর্ধমানে কমিশনের ‘অদ্ভুত’ কাণ্ডে শোরগোল

শিক্ষা
Spread the love


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: ভোটার তালিকায় নাম নেই, এদিকে তিনিই সামলাবেন ভোটকেন্দ্রের দায়িত্ব! নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত (সাপ্লিমেন্টারি) তালিকা প্রকাশের পর এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পূর্ব বর্ধমান (Purba Bardhaman) জেলায়। কারও নাম তালিকা থেকে ‘ডিলিট’ হয়ে গিয়েছে, আবার কারও নাম ‘বিবেচনাধীন’। অথচ সেই শিক্ষকদের হাতেই পৌঁছেছে প্রিসাইডিং অফিসার বা পোলিং অফিসার হওয়ার নিয়োগপত্র।

জেলায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বর্ধমান ২ নম্বর ব্লকের চাকুন্দি শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যামন্দিরের শিক্ষক শেখ ফিরোজ হোসেনের আক্ষেপ, “১৯৯০ সাল থেকে নিয়মিত ভোট দিচ্ছি। এসআইআর (SIR) পর্বে সব নথি জমা দিলেও সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় আমার নাম নেই। যে কমিশন আমাকে ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি দিল না, তারাই আবার আমাকে ভোটকর্মী হিসেবে নিয়োগ করছে!” শুধু নিয়োগপত্রই নয়, জানা গিয়েছে তাঁর হাতে পোস্টাল ব্যালটের ফর্মও তুলে দেওয়া হয়েছে।

একই অভিজ্ঞতার শিকার তালিত গৌড়েশ্বর হাইস্কুলের শিক্ষক শেখ রবিয়েল হোসেন এবং সরকারি হুরিয়া পাবলিক স্কুলের শিক্ষক আয়ূব আলি। আয়ূব আলির নাম ভোটার তালিকা থেকে সম্পূর্ণ ‘বাদ’ দেওয়া হয়েছে, অথচ তাঁকে পাঠানো হয়েছে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালনের চিঠি। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “আমি নিজেই যদি ভোটাধিকার হারিয়ে ফেলি, তবে কোন যুক্তিতে অন্যের ভোট নেওয়ার দায়িত্ব পালন করব?”

আগামী শুক্রবার ও শনিবার এই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের দিন নির্ধারিত রয়েছে। ভোটাধিকারহীন অবস্থায় তাঁরা প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে চরম বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তবে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কোনো কর্তা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে রাজি হননি। কমিশনের এই সমন্বয়হীনতা এখন বর্ধমানের শিক্ষা ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *