উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক : বায়ার্ন মিউনিখের ঘরের মাঠ অ্যালিয়াঞ্জ এরিনায় রূপকথা লিখল পিএসজি (প্যারিস সাঁ জাঁ)। বলা ভালো শাপমোচন হল। ভারতীয় সময় শনিবার গভীর রাতে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে হারিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতল পিএসজি। ম্যাচে ৪-৩-৩ ছকে দল সাজিয়ে ছিলেন পিএসজি কোচ লুই এনরিকে। অন্যদিকে, ইন্টার কোচ ইনজাঘি ৩-৫-২ ছকে ভরসা রেখেছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত ইনজাঘির মাঝমাঠ দখল নেওয়ার পরিকল্পনা কাজে আসেনি। উলটে রক্ষণভাগই দুর্বল হয়ে পড়ে। পিএসজির একের পর এক আক্রমণ রুখতে কার্যত দিশেহারা অবস্থা হয় ইতালির ক্লাবটির।
ম্যাচের ১২ মিনিটের মাথায় আশরাফ হাকিমির গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। ২০ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দেসিরে দুয়ের। ৬৩ মিনিটে ফের গোল করেন তিনি। তখন ব্যবধান ৩-০। কোনওভাবেই পিএসজির আক্রমণকে রুখতে পারছিলেন না পাভার্ড সহ ইন্টারের বাকি ডিফেন্ডাররা। ৭৩ মিনিটে দলের পক্ষে চতুর্থ গোল করেন খিভিচা কাভারাস্কেলিয়া। ৮৬ মিনিটে ইন্টারের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন সেনি মায়ুলু। ইন্টার বহু চেষ্টা করেও ব্যবধান কমাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলে ম্যাচ ও শিরোপা জেতে পিএসজি। এটাই তাদের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেতাব।
এর আগে লিওনেল মেসি, নেইমার, কিলিয়ান এমবাপে সহ বহু তারকা এই ক্লাবে খেলেছেন।কিন্তু কেউই দলকে খেতাব জেতাতে পারেননি। এমবাপে তো আবার শুধু চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার আশায় রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছেন চলতি মরসুমে। আর এবারই শাপমোচন হল পিএসজির। তাও আবার রেকর্ড গড়ে। ইন্টারের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে ফ্রান্সের ক্লাবটি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের ইতিহাসে এটাই সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়।
১৯৯৩ সালে ফরাসি ক্লাব মার্সেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিল। আশ্চর্যজনকভাবে সেই জয়ের সঙ্গে এবারের জয়ের মিল অনেক। মার্সেই হারিয়েছিল ইতালির আরেক ফুটবল জায়ান্ট এসি মিলানেকে। সেই ম্যাচও হয়েছিল মিউনিখের মাঠে। ৩২ বছর পর সেই জার্মানির মাটিতেই নয়া রূপকথা লিখলেন লুই এনরিকের ছেলেরা।
