Pretend fb profile | খোদ ডিএসপি-র নাম ভাঁড়িয়ে প্রোফাইল খুলে বন্ধুত্বের প্রস্তাব

Pretend fb profile | খোদ ডিএসপি-র নাম ভাঁড়িয়ে প্রোফাইল খুলে বন্ধুত্বের প্রস্তাব

শিক্ষা
Spread the love


বালুরঘাট: খোদ পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তার নাম করে প্রতারণার ফাঁদ সামাজিক মাধ্যমে! রীতিমতো পুলিশের উর্দি ব্যবহার করে খোলা হয়েছে প্রোফাইল। প্রোফাইল পিকচারে দেখা যাচ্ছে, বালুরঘাটের ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদের ইউনিফর্ম পরা ছবি। এমনকি, কভার পিকচারেও নীলবাতি গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ডিএসপি। বালুরঘাটের ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ক্রীড়াবিদ সহ বিভিন্ন আধিকারিকের কাছে সেই প্রোফাইল থেকে পৌঁছে যাচ্ছে বন্ধুত্বের আহ্বান। অভিযোগ, অনেক মহিলাকে মেসেজ করে ফোন নম্বর পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। এদিকে, ওই অ্যাকাউন্ট তাঁর নয় বলে জানিয়েছেন বালুরঘাটের ডিএসপি বিক্রম প্রসাদ।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সাইবার ক্রাইম বিভাগের মাথায় রয়েছেন ডিএসপি। তাঁর নামেই দুষ্কৃতীদের এমন ‘ভুয়ো’ প্রোফাইল খোলার দুঃসাহসে হতবাক জেলাবাসী। সাইবার প্রতারণা রুখতে পুলিশের তরফে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়। তবে তারপরও ঠগবাজি নির্মূল করা যায়নি। মাঝেমধ্যে বালুরঘাটের জেলা সাইবার অপরাধ থানায় সামাজিক মাধ্যমে প্রতারণা সহ একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। কিন্তু খোদ জেলা পুলিশের ডেপুটি সুপারিন্টেন্ডেন্টের নাম ও ইউনিফর্ম পরা ছবি ব্যবহার করে প্রতারণার ফাঁদ প্রকাশ্যে এল। অনেকেই প্রোফাইলটি ডিএসপি-র মনে করে বন্ধুত্বের আহ্বানে সম্মতি দিয়েছেন।

বিক্রম সামাজিক স্তরে যথেষ্ট জনপ্রিয়। কখনও খেলার মাঠে, কখনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চে গান এমনকি, নাচের অনুষ্ঠানেও তাঁকে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে গিটার বাজিয়ে তাঁকে গান করতেও দেখা যায়। সেই জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে দুষ্কৃতীরা প্রতারণার ছক কষছে বলে মনে করছেন অনেকে। যদিও দ্রুত এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডিএসপি।

বালুরঘাটের ক্রীড়া সংগঠক জয়ব্রত দে বলেন, ‘ডিএসপি ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। আমি খেলাধুলোর সঙ্গে যুক্ত। তাই ওঁর কাছ থেকে বন্ধুত্বের আহ্বান আসায় স্বীকার করেছি। মনে একটু সন্দেহ ছিল। ভুয়ো জানতে পেরে প্রতারণার চক্রে পা দেওয়া থেকে বাঁচলাম।’

বালুরঘাট সাহেব কাছারিপাড়ার বধূ ফাল্গুনী কুণ্ডু বলেন, ‘ডিএসপি বালুরঘাটে যথেষ্ট পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। তাঁর পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে দুষ্কৃতীরা সম্ভবত এমন কাজ করছেন। আমার কাছেও ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট এসেছিল। তা গ্রহণ করি। পরে এক পরিচিতের কাছ থেকে ভুয়ো জেনে আনফ্রেন্ড করে দিয়েছি।’

বালুরঘাট মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রী মৌসুমি সরকার বলেন, ‘এভাবে মেয়েরা বুঝতে না পেরে নিজেদের ফোন নম্বর দিলে সমস্যা হতে পারে। তাই আগে পুরো প্রোফাইল যাচাই করে আমি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করি। অনেক সময় এই সব প্রোফাইল থেকে টাকা পাঠানোর অনুরোধও আসে।’

এদিকে বালুরঘাট ডিএসপি বিক্রম বলেন, ‘প্রোফাইলটি আমার নয়। সেখানে আমার নাম ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে। আমার আসল প্রোফাইল মেটা ভেরিফায়েড। ওই প্রোফাইলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *