Power Disaster | হরমুজ সংকটে প্রতিদিন ১৭০০ কোটির লোকসান! সাধারণ মানুষের পকেট বাঁচাতে বিপুল আর্থিক চাপের মুখে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থা

Power Disaster | হরমুজ সংকটে প্রতিদিন ১৭০০ কোটির লোকসান! সাধারণ মানুষের পকেট বাঁচাতে বিপুল আর্থিক চাপের মুখে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থা

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ঘনিয়ে আসা জ্বালানি সংকটের (Power Disaster) মোকাবিলায় ভারত সরকার এখন এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। একদিকে হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনার কারণে অপরিশোধিত তেল ও এলপিজি সরবরাহে বড়সড় ঘাটতি দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে আন্তর্জাতিক বাজারের চড়া দরের বোঝা নিজেদের কাঁধে নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থাগুলো।

সংকট সামাল দিতে কেন্দ্র সরকার দেশীয় স্তরে এলপিজি (LPG) উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে। দৈনিক উৎপাদন ৩৬ হাজার টন থেকে বাড়িয়ে ৫৪ হাজার টনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর আবগারি শুল্ক কমিয়ে মধ্যবিত্তের নাগালে দাম রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের এই সময়োচিত সিদ্ধান্তই দেশে জ্বালানির হাহাকার রুখে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও গত ১০ সপ্তাহ ধরে ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত পেট্রোলিয়াম এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম পুরনো দামেই দেশে জ্বালানি বিক্রি করছে। পিটিআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, তেল সংস্থাগুলি প্রতিদিন প্রায় ,৬০০ থেকে ১,৭০০ কোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহে এই মোট লোকসানের পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। আমদানির ক্ষেত্রে ৪০% অপরিশোধিত তেল, ৯০% এলপিজি এবং ৬৫% এলএনজি সরাসরি এই সংকটের কবলে পড়েছে।

ব্রিটেন থেকে শুরু করে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানেও জ্বালানির দাম লাগামছাড়া হয়েছে। ভারতে গত মার্চ মাসে গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বাড়ানো হলেও পেট্রোল-ডিজেলের দর অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। যদিও এই পরিস্থিতি আর কতদিন বজায় রাখা সম্ভব হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ক্রমাগত লোকসান বাড়তে থাকলে তেল সংস্থাগুলি ঋণের দায়ে জর্জরিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ব্যবসায়িক মহলের গুঞ্জন এবং ‘বিজনেস টুডে’-র সূত্র অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারের চাপ সামলাতে সরকার শেষ পর্যন্ত তেলের দাম বাড়ানোর পথে হাঁটতে পারে। আগামী ১৫ মে-র আগেই এ বিষয়ে বড় কোনও ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে কেন্দ্রের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *