PMO says no query on PM CARES, two different funds admissible in Lok Sabha: Causes it gave

PMO says no query on PM CARES, two different funds admissible in Lok Sabha: Causes it gave

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


পিএম কেয়ার্স-সহ তিন তহবিল নিয়ে সংসদে কোনও প্রশ্ন করা যাবে না। লোকসভার সচিবালয়কে চিঠি দিয়ে এ কথা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী দপ্তর (পিএমও)। সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩০ জানুয়ারি লোকসভার সচিবালয়কে এই মর্মে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাতে লোকসভার কার্যবিধির অনুচ্ছেদ ৪১(২) (৮) এবং ৪১(২) (১৭)-এর কথা উল্লেখ করেছে পিএমও। পিএম কেয়ার্স ছাড়া বাকি দু’টি তহবিল হল, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল (পিএমএনআরএফ) এবং জাতীয় সামরিক তহবিল (এনডিএফ)। প্রসঙ্গত, এই তিন তহবিলই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অধীনে।

আরও পড়ুন:

মোদির দপ্তরের যুক্তি, এই তিন তহবিলই সম্পূর্ণ ভাবে জনসাধারণের অনুদানে তৈরি। দেশের কোষাগার থেকে কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি এই তহবিলের জন্য।

২০২০ সালের ২৭ মার্চ, অতিমারি কালে পিএম কেয়ার্স গঠন করা হয়েছিল। সরকারি ওয়েবসাইট অনুযায়ী, জরুরি বা সংকটকালীন পরিস্থিতি, যেমন মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করাই এই তহবিলের উদ্দেশ্য। তহবিলটি একটি পাবলিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট হিসাবে নথিভুক্ত। ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের আওতায় এই তহবিলের ট্রাস্ট ডিড নিবন্ধিত দিল্লিতে। ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই তহবিলে জমা পড়েছিল ৬,২৮৩.৭ কোটি টাকা।

অন্য দিকে, ‘প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল’ গঠিত হয় ১৯৪৮ সালের জানুয়ারিতে। দেশভাগের সময় পাকিস্তান থেকে আসা বাস্তুচ্যুতদের সাহায্যের জন্য। আর জাতীয় সামরিক তহবিল তৈরি হয় সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের পরিবারের সাহায্যার্থে। এই তহবিল পরিচালনা করে একটি এগজিকিউটিভ কমিটি। তার চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী নিজে। প্রতিরক্ষা, অর্থ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এই কমিটির সদস্য।

আরও পড়ুন:

মোদির দপ্তরের যুক্তি, এই তিন তহবিলই সম্পূর্ণ ভাবে জনসাধারণের অনুদানে তৈরি। দেশের কোষাগার থেকে কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি এই তহবিলের জন্য। তাই এই তহবিল নিয়ে আলোচনা সংসদের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। প্রসঙ্গত, লোকসভার কার্যবিধির অনুচ্ছেদ ৪১(২) (৮) অনুযায়ী, এমন কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না, যা কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পর্কিত নয়। আর ৪১(২) (১৭) বিধি অনুযায়ী, এমন কোনও বিষয় নিয়ে তোলা যাবে না, যার জন্য সরকার সরাসরি দায়বদ্ধ নয়। সেগুলি অন্য কোনও সংস্থা বা ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণাধীন।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *