PM Modi’s Malda Go to | মোদির আগমনে সাজ সাজ রব মালদায়! স্টেশনে বসছে চৈতন্যের মূর্তি, ১৭ জানুয়ারি বন্দে ভারত স্লিপারের মেগা উদ্বোধন

PM Modi’s Malda Go to | মোদির আগমনে সাজ সাজ রব মালদায়! স্টেশনে বসছে চৈতন্যের মূর্তি, ১৭ জানুয়ারি বন্দে ভারত স্লিপারের মেগা উদ্বোধন

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


কল্লোল মজুমদার, মালদা: হাতে আর মাত্র পাঁচদিন। ‌আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদায় (Malda) আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi’s Malda Go to)। তাঁর সফরের প্রাক্কালে নতুন রূপে সেজে উঠছে মালদা টাউন স্টেশন চত্বর। রাতদিন চলছে কাজ। এই মুহূর্তে মালদা টাউন স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার কাজও চলছে জোরকদমে। স্টেশনে প্রবেশের মুখে রয়েছে একটি বিশাল পার্ক। এই পার্কেই বসছে ফাইবারের তৈরি চৈতন্যের মূর্তি। এছাড়াও বাঁকুড়ার পোড়ামাটির ঘোড়া আর নানা ধরনের মূর্তিতে পার্কটি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। এদিকে রবিবার রাতে টাউন স্টেশন চত্বরে গিয়ে দেখা গেল, গোটা এলাকার রাস্তায় নতুন করে পিচের প্রলেপ পড়ছে। এছাড়া পুরো এলাকা আলো দিয়ে সাজানো হচ্ছে। পার্কের কাজ শেষ করতেও ব্যস্ত কয়েকজন শ্রমিক।

মালদা টাউন স্টেশনের ১ ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে গিয়ে দেখা গেল, সেখানেও কাজ চলছে। দুই প্ল্যাটফর্মের মেঝেতে বেশ কিছু জায়গায় টাইলস পালটানো হচ্ছে। কোথাও পড়ছে রংয়ের প্রলেপ। আর সেখানে দাঁড়িয়েই কাজকর্ম তদারকি করছেন রেলকর্তারা। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মালদায় পৌঁছে যাবে স্লিপার বন্দে ভারতের দুটি রেক। সেগুলি ১ ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়াবে। তাই ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনও ট্রেন চলাচল করবে না। রবিবার পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রসরাজ মাজি বলেছেন, ‘ইতিমধ্যে কাটিহার থেকে স্লিপার বন্দে ভারত মালদার দিকে আসতে শুরু করেছে। এলেই আমরা জানিয়ে দেব। আগামী ১৭ জানুয়ারি স্লিপার বন্দে ভারতের উদ্বোধন। আর তার আগেরদিনই অর্থাৎ ১৬ জানুয়ারি মালদায় এসে পৌঁছাবেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণো (Ashwini Vaishnaw)।’

রবিবার সন্ধ্যায় হাওড়াগামী কাটিহার এক্সপ্রেস ধরতে এসেছিলেন মালদা শহরের মকদুমপুরের বাসিন্দা সুজিত দাস ও তাঁর পরিবার। সুজিত পার্কের সামনে দাঁড়িয়ে চৈতন্য দেবের মূর্তির ছবি তুলছিলেন। প্রশ্ন করতেই বললেন, ‘চৈতন্য দেবের মূর্তি অনেক আগেই বসানো উচিত ছিল। শান্তিনিকেতন বলুন কিংবা কালীঘাট স্টেশন, সব জায়গাতেই সেই এলাকার বিশেষত্ব নিয়ে ছবি আঁকা রয়েছে বা মূর্তি রয়েছে। কিন্তু মালদায় এতদিন তা ছিল না। চৈতন্য দেবের পদার্পণে আমাদের জেলা সমৃদ্ধ হয়েছিল। তাই এই মূর্তি এখানে বসানো অত্যন্ত বাস্তবসম্মত।’ অন্যদিকে স্টেশনে আসা অপর এক যাত্রী প্রসেনজিৎ কর্মকারের আবার মন্তব্য, ‘শুনেছি প্রধানমন্ত্রী স্টেশনে আসবেন। ‌তাই এত সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। চৈতন্য দেবের মূর্তি বসেছে দেখলাম। কিন্তু তার সঙ্গে টেরাকোটার মূর্তি কেন বসছে? বেশি ভালো হত, যদি দেখতাম মালদার গম্ভীরার মুখোশ দিয়ে স্টেশন সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। গম্ভীরাকে আমজনতার সামনে তুলে আনার এটাই বড় সুযোগ ছিল।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *