আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখেই জোরদার প্রচার কৌশল সাজাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি। দলীয় সূত্রে খবর, রাজ্যে প্রায় দু’ডজনের বেশি জনসভা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছে রাজ্য নেতৃত্ব। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভোট ঘোষণার আগে দশটি এবং ভোট ঘোষণার পরে আরও অন্তত দশটি জনসভায় ভাষণ দেবেন নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যেই তিনি ছটি জনসভা সেরে ফেলেছেন। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই বাকি চারটি জনসভাও সম্পন্ন হবে বলে প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে বলে বিজেপি সূত্রের দাবি।
আরও পড়ুন:
চলতি মাসেই পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসার কথা দলের নবনিযুক্ত সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীনের। পাশাপাশি ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখ কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের পরেই রাজ্যে আসার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহেরও। ভোটের আগে শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনঘন সফরের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার কৌশল নিয়েছে গেরুয়া শিবির।
এছাড়া নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর একই দিনে রাজ্যের অন্তত দশটি জায়গায় বড় জনসভা করার পরিকল্পনা করেছে বিজেপি। দলের প্রথম সারির নেতাদের পাশাপাশি একঝাঁক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে মাঠে নামিয়ে একযোগে প্রচার চালানোর রণকৌশল ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, যে বিজেপির অন্দরেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের আনাগোনা নিয়ে এত প্রশ্ন। দিল্লি থেকে বাংলা দখলের পরিকল্পনা নিয়ে এত আপত্তি। সেই বিজেপি কেন বাংলা দখলের জন্য সেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বেরই মুখাপেক্ষী। তাহলে কি নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি এবং নেতৃত্ব ক্ষমতায় আস্থা নেই শমীক-শুভেন্দুদের?
আরও পড়ুন:
বিরোধীরা সেই কটাক্ষই করছেন। বিরোধী শিবিরের বক্তব্য, নিজেদের উপর আস্থা নেই বলেই প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং অন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের ডেকে প্রচারের ঝড় তুলতে চাইছে বিজেপি। কিন্তু মোদি আগেও রাজ্যে ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করেছেন। ‘বহিরাগত’ কেন্দ্রীয় নেতারাও এসেছেন। তাতে কাজের কাজ হয়নি। এবারেও হবে না।
সর্বশেষ খবর
