উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন আর কেবল দুই দেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা বিশ্ব বাণিজ্যের প্রধান ধমনী (World Provide Chain) ‘হরমুজ প্রণালী’র নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে তুলেছে। এই সংকটময় মুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে দীর্ঘ আলোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিm (PM Modi Donald Trump Name)। দুই রাষ্ট্রপ্রধানই একমত হয়েছেন যে, বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হরমুজ প্রণালীকে নিরাপদ ও উন্মুক্ত রাখা একান্ত প্রয়োজন। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন।” গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আমেরিকার হামলার পর এই প্রথম মোদি ও ট্রাম্পের কথা হল।
সংসদের উভয় কক্ষেই প্রধানমন্ত্রী মোদি এই যুদ্ধ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। লোকসভায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলা বা হরমুজ প্রণালীতে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না (Unacceptable)।’ তিনি জানান, যুদ্ধের এই আবহেও ভারত কূটনৈতিক (Diplomacy) পথে ভারতীয় জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
রাজ্যসভায় মঙ্গলবার মোদি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়েছে। পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এমনকি সারের জোগানেও টান পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভারত সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের ওপর এর প্রভাব সীমিত রাখতে (Vitality Safety) প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে যে তেহরানের সঙ্গে তাদের ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে এবং ইরান যদি হরমুজ প্রণালী খুলে দেয়, তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকল্পিত হামলা পাঁচ দিন পিছিয়ে দেওয়া হবে। তবে ইরানের সংসদ স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ এই দাবিকে ‘ফেক নিউজ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর মতে, বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ইজরায়েল-আমেরিকার শোচনীয় অবস্থা ঢাকতেই এই মিথ্যে প্রচার চালানো হচ্ছে।
