পতিরাম: বালুরঘাট সদর হাসপাতালে (Balurghat Hospital) ওয়ার্ড গার্লের চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ তুলে শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হলেন পতিরামের এক মহিলা। অভিযোগকারী বাবলি খাতুনের দাবি, প্রায় তিন বছর আগে একই পাড়ার বাসিন্দা ও তৎকালীন পতিরাম গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য উত্তম চন্দ্র দাসকে দুই লক্ষ টাকা দেন চাকরির আশায়। কিন্তু আজও জুটল না হাসপাতালের চাকরি।
বাবলি খাতুন জানান, ২০২৩ সালে তাকে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার দেওয়া হয় এবং তা নিয়ে বালুরঘাট সদর হাসপাতালে যেতে বলা হয়। সেখানে পৌঁছে তাকে একটি জনশূন্য ঘরে নিয়ে গিয়ে একটি খাতায় সই করানো হয়। তার সইয়ের আগে ওই খাতায় আরও কয়েকজন মহিলার সই ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। এরপর বলা হয়, পরদিন থেকেই কাজে যোগ দিতে হবে। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর ফোন করে জানানো হয়, কয়েকদিন পরে জয়েনিং করানো হবে। এরপর কেটে যায় দু’বছর। এই সময়ের মধ্যে চাকরি বা টাকা ফেরত চাইলেও কোনও সদুত্তর পাননি বাবলি খাতুন। অভিযোগ, মোট দুই লক্ষ টাকার মধ্যে মাত্র দু’দফায় পাঁচ হাজার করে মোট দশ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।অবশেষে গত জুলাই মাসে পতিরাম থানা ও জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও ফল না পেয়ে তিনি বালুরঘাট কোর্টের (Balurghat Court docket) দ্বারস্থ হন। বাবলি খাতুন বলেন, তিনি প্রতারিত হয়েছেন এবং সুবিচার চান।
অন্যদিকে অভিযুক্ত প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য উত্তম চন্দ্র দাসের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। সূত্রের খবর, তিনি ভিনরাজ্যে আত্মগোপন করেছেন। পতিরাম থানার (Patiram Police Station) ওসি সৎকার স্যাংবো জানান, ‘মামলা হয়েছে, তদন্ত চলছে।’
