উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ ৬ বছরই যথেষ্ট, দোষী সাব্যস্ত নেতাদের আজীবন ভোটে লড়া নিষিদ্ধ করা ঠিক নয়। বুধবার শীর্ষ আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে জানালো কেন্দ্র। সম্প্রতি শীর্ষ আদালতে একটি পরিসংখ্যান পেশ করে কেন্দ্রীয় আইন ও বিচার মন্ত্রক। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, লোকসভার ৫৪৩ জন এমপির মধ্যে অপরাধমূলক কাণ্ডে মামলা রয়েছে ২৫১ জনের বিরুদ্ধে। একটি বিশেষ মামলায় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি মনমোহনের বেঞ্চ ভারত সরকারের অবস্থান জানতে চেয়েছিল।
এরপরেই এই সংক্রান্ত মামলায় তথ্য সংগ্রহ শুরু হয় দেশের বিভিন্ন আদালত থেকে। সেই মামলায় মামলায় আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় শীর্ষ আদালতে দাবি করেছিলেন, যে সব রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে মামলায় সাত বছর বা তার বেশি কারাবাসের বিধান রয়েছে, শুধুমাত্র তাঁদেরই নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিষিদ্ধ করা হোক। যাতে দোষী সাব্যস্ত নেতাদের কেউ যেন আর কখনও ভোটে লড়তে না পারেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে।
এ ব্যাপারেই বুধবার আদালতে কেন্দ্রের তরফে হলফনামা জমা দিয়ে জানানো হয়েছে, বর্তমান সাংসদদের ১০৭ জনের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তাঁরা দোষী সাব্যস্ত হলে কমপক্ষে পাঁচ বছর বা তার বেশি কারাবাসের সাজা হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাঁদের সাংসদ পদ বাতিল হয়ে যাবে। সেকারণেই দোষী সাব্যস্ত নেতাদের আজীবন ভোটে লড়া নিষিদ্ধ করা ঠিক নয়। দোষী সাব্যস্ত হলে ৬ বছরের জন্য বরখাস্ত করা হয়, এটাই যথেষ্ট। কেন্দ্রের তরফে আদালতকে এও জানানো হয় যে বিষয়টি সংসদের বিচার্য বিষয়। ফলে এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে সংসদই।
