Pakistan | ‘পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই’, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের মন্তব্যে চরম অস্বস্তিতে ইসলামাবাদ!

Pakistan | ‘পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই’, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের মন্তব্যে চরম অস্বস্তিতে ইসলামাবাদ!

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: আমেরিকা ও ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তিকে নিজেদের বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দাবি করলেও, একের পর এক ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স মন্তব্য করেছেন, পাকিস্তানে ‘সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ না (Press Freedom) থাকার কারণেই এই চুক্তির সমঝোতাপত্র (MoU) প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।

ভান্স বলেন, “পাকিস্তান বা কাতারের শাসনব্যবস্থায় আমেরিকার মতো ‘ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট’ বা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সাংবিধানিক নিশ্চয়তা নেই। ফলে চুক্তিপত্র প্রকাশ্যে এনে জনগণের চুলচেরা বিশ্লেষণের সুযোগ দেওয়ার সংস্কৃতিও তাদের মধ্যে অনুপস্থিত।” গত ১৫ জুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটির ঘোষণা করলেও, ডেমোক্র্যাটদের তীব্র চাপের মুখে অবশেষে বুধবার এর পূর্ণাঙ্গ রূপ প্রকাশ করা হয় (US-Iran deal delay)। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের নভেম্বরে গৃহীত ২৭তম সংবিধান সংশোধনীর পর পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা আরও তলানিতে ঠেকেছে। ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সেও ১৮০টি দেশের মধ্যে পাকিস্তানের স্থান ১৫৩ নম্বরে।

পাকিস্তানের জন্য আরও বড় ধাক্কা এসেছে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া নিয়ে। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেছিলেন যে, ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে একটি আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হবে। কিন্তু ইরানের বিদেশ মন্ত্রক সেই দাবি নাকচ করে দেয় এবং গত বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ডিজিটালি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ফলে তড়িঘড়ি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট সংশোধন করতে ও সুইজারল্যান্ড সফর বাতিল করতে বাধ্য হন শরিফ।

১৪ দফার এই চুক্তির আওতায় ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিষ্ক্রিয় করতে রাজি হয়েছে। এর বিনিময়ে তারা ব্যাপক অর্থনৈতিক ছাড় পাবে। তবে ভান্স স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ইরানের ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিলে আমেরিকার ‘এক সেন্ট’ অর্থও দেওয়া হবে না; এই বিনিয়োগ আসবে অন্যান্য দেশ থেকে। ওবামা আমলের পরমাণু চুক্তির চেয়ে এই চুক্তিকে আমেরিকার জন্য অনেক বেশি লাভজনক বলে দাবি করেছেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *